প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
৯ ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় পারেদেস, আছে শাস্তি এড়ানোর সুযোগও
||
বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মারামারিতে জড়ানোয় বড় ধরনের শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার ওপর সর্বোচ্চ ৯ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। তবে সেই শাস্তি এড়ানোর একটি সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য মিরর। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেই সেই শাস্তি এড়াতে পারবে পারেদেস।
বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশির পর আর্জেন্টিনা ও স্পেনের কয়েকজন ফুটবলার হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। টেলিভিশন ফুটেজে দেখা যায়, পারেদেস স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকে লাথি ও ধাক্কা দেন। পরে গাভিকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। ওই ঘটনায় নাহুয়েল মোলিনা, থিয়াগো আলমাদা এবং আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার নামও উঠে এসেছে।
প্রথমে দাবি করা হয়েছিল, ম্যাচ শেষে পারেদেসকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়েছে। তবে পরে জানা যায়, মাঠে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এরপর পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করে ফিফা।
দ্য মিররের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোডের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে প্রতিটি সহিংস আচরণের জন্য ন্যূনতম তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার বিধান রয়েছে। তদন্তে পারেদেসের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক অভিযোগ প্রমাণিত হলে মোট নয় ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন তিনি। তবে এখানেই রয়েছে একটি সম্ভাব্য আইনি জটিলতা। পারেদেস যদি ফিফার রায় ঘোষণার আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন, তাহলে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা বাস্তবে আর ভোগ করতে নাও হতে পারে।
তবে বিষয়টি পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। ফিফা চাইলে ডিসিপ্লিনারি কোডের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ প্রয়োগ করে সেই শাস্তিকে বিশ্বব্যাপী সব ধরনের ফুটবলে কার্যকর করতে পারে। ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও কিয়েলিনিকে কামড় দেওয়ার ঘটনায় উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজের ক্ষেত্রে এই ধারা প্রয়োগ করে চার মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা। পারেদেসের ঘটনায় ফিফা ওই ধারা ব্যবহার করবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। বর্তমানে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করছে ফিফা।
কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে