প্রিন্ট এর তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ২৬ আগস্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুছ
||
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের অংশ হিসেবে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম গ্র্যান্ড জশনে জুলুছ। আগামী ২৬ আগস্ট এই সর্ববৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৭ আগস্ট) নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে মূল তথ্য উপস্থাপন করেন আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুর আলম মনজু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আনজুমান ট্রাস্টের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার।জুলুসের নেতৃত্ব ও বিশেষ অতিথিবৃন্দনেতৃত্ব: এবারের জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকোটের অন্যতম সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ (মুদ্দাজিল্লুহুল আলী)।উপস্থিতি: জুলুসে আরও উপস্থিত থাকবেন দরবারের সাহেবজাদা হজরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ (মু. জি. আ.)এবং সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ্ (মু. জি. আ.)।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসূল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.) বাংলাদেশে এই জশনে জুলুসের শুভ প্রবর্তন করেন।জুলুসের সময়সূচি ও রুট ম্যাপতারিখ ও সময়: ২৬ আগস্ট, সকাল ৮:০০ টায় জুলুসের শুভ সূচনা হবে।প্রারম্ভিক স্থান: চট্টগ্রামের মুরাদপুরের ষোলশহর আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জুলুসটি শুরু হবে।রুট: নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন নির্ধারিত জুলুছ ময়দানে গিয়ে জমায়েত হবে।সমাপনী ও দোয়া: দুপুর ১২:০০ টায় বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে জোহরের নামাজ আদায় শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি দোয়া পরিচালনা করা হবে।বিশেষ নির্দেশনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাজুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং পবিত্রতা রক্ষার্থে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে:নিষেধাজ্ঞা: জশনে জুলুসে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং ছোড়াছুড়ি বা খাবার নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা: পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি শৃঙ্খলা রক্ষায় আনজুমানের ১০ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ: জুলুসকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। নগরীর সড়কদ্বীপ, সড়ক বিভাজক এবং অলিগলি আনজুমান ট্রাস্টের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে সেজে উঠেছে।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, বরাবরের মতো এবারও এই জশনে জুলুছ লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।
কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে