প্রিন্ট এর তারিখ : ০৩ জুলাই ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
আয়াতুল্লাহ খামেনির জানাজা ৪ জুলাই নির্ধারিত
||
২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত হওয়ার পর, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তাঁর দাফন স্থগিত রাখা হয়েছিল। অবশেষে তাঁর জানাজা ও দাফনের চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে, যা ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই (২০২৬) পর্যন্ত চলবে।জানাজা ও দাফনের মূল সময়সূচি ৪ থেকে ৬ জুলাই (তেহরান): রাজধানী তেহরানের 'ইমাম খোমেনী গ্র্যান্ড মোসাল্লা' প্রাঙ্গণে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তিন দিনব্যাপী জানাজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। ৭ জুলাই (কোম): তেহরানের পর শিয়াদের অন্যতম পবিত্র নগরী কোমে (Qom) খামেনির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে এবং সেখানেও বিশেষ জানাজা ও আনুষ্ঠানিকতা হবে। ৯ জুলাই (মাশহাদ - চূড়ান্ত দাফন): আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্মস্থান মাশহাদ শহরের পবিত্র 'ইমাম রেজা মাজার' প্রাঙ্গণে তাঁকে চূড়ান্তভাবে দাফন করা হবে।সর্বশেষ পরিস্থিতি ও প্রস্তুতি নজিরবিহীন নিরাপত্তা ও সতর্কতা: এর আগে আয়াতুল্লাহ খোমেনী (১৯৮৯) এবং কাসেম সোলাইমানির (২০২০) জানাজায় প্রচণ্ড ভিড়ে পদদলিত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোতে এবার ভিড় সামলাতে সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। হেলিকপ্টার মোতায়েনসহ বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বা ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছে ইরান সরকার। বিদেশি প্রতিনিধিদের আগমন: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, রাশিয়া, চীন এবং কাতারসহ বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধি ও কূটনীতিকরা এই জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। ভারতের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল তেহরান যাচ্ছে। বিশাল জনসমাগমের পূর্বাভাস: ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এই বহুজাতিক জানাজায় প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে, যা দেশটির ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম জানাজা হবে।বর্তমানে তেহরানের মোসাল্লা প্রাঙ্গণে শোকের কালো পতাকা এবং প্রতীকী লাল পতাকা টাঙানো হয়েছে এবং জানাজার শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।
কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে