নিজস্ব প্রতিবেদক:দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ভিত্তি মজবুত করতে এবং নির্বাচনমুখী প্রক্রیا অব্যাহত রাখতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়ন পরিষদে সাতটি ধাপে এই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপের ভোটগ্রহンの মধ্য দিয়ে এই দীর্ঘ নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনারাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সম্প্রতি স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে এক প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে ইসি সূত্রে জানানো হয়, আইনগত বাধ্যবাধকতা এবং বিভিন্ন পর্ষদের মেয়াদ শেষের সময়সীমা বিবেচনা করে ৪ হাজার ২৭২টি ইউনিয়ন পরিষদে দ্রুত নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিক রোডম্যাপ অনুযায়ী প্রথম ধাপের পর ধাপে ধাপে অন্যান্য ধাপের ভোট সম্পন্ন করা হবে। তবে ইসি স্পষ্ট করেছে যে, ঘোষিত তারিখ ও সময়সূচিটি বর্তমানে একটি 'সম্ভাব্য' বা টেন্টেটিভ পরিকল্পনা। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সঙ্গে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা এবং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও সুনির্দিষ্ট তফসিল ঘোষণা করা হবে। রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সমীকরণস্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের এই পদক্ষেপে মাঠপর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক ভোট নিশ্চিত করতে আগামী ২৩ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক সংলাপের পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় নির্বাচনের পর স্থানীয় সরকারের এই বৃহৎ আয়োজন তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্রের চর্চা ও স্থানীয় উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।