রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চিটাগাং টুডে
খাগড়াছড়িতে ‘গোপন গুদামে’ মিললো ২১ হাজার কেজি সরকারি সার

খাগড়াছড়িতে ‘গোপন গুদামে’ মিললো ২১ হাজার কেজি সরকারি সার

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় অবৈধভাবে মজুদ করা ২১ মেট্রিক টন সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি সার নির্ধারিত গুদামের বাইরে রাখার অপরাধে সংশ্লিষ্ট ডিলারকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন উপজেলা  নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ২ নম্বর বোয়ালখালী ইউনিয়নের বিসিআইসি সার ডিলার প্রতিষ্ঠান ‘এসএস ট্রেডার্সে’ অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। প্রশাসন জানায়, ওই ডিলার সরকারের তালিকাভুক্ত গুদামে না রেখে একটি গোপন গুদামে (তালিকাবিহীন গুদাম) সারগুলো মজুত করেছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ অবৈধভাবে মজুদ করা সারগুলো জব্দ ও জড়িতদের অর্থদণ্ডের আদেশ দেন। তাছাড়া অভিযানে সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত ২১ মেট্রিক টন সার মজুদের বিষয়টি প্রমাণিত হলে সারগুলো অবৈধ ঘোষণা করে জব্দ করা হয়।  দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ফারিয়া সুলতানা বলেন, সরকারি বরাদ্দের অতিরিক্ত ২১ মেট্রিক টন সার জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে জব্দ করা সার আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, সরকারি বরাদ্দের সার নির্ধারিত গুদামে না রেখে অন্যত্র মজুদের অপরাধে সার ব্যবস্থাপনা আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী সার ডিলার প্রতিষ্ঠান এসএস ট্রেডার্সের ম্যানেজারকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে। / ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

লিভারের রোগ সারে না, এমনই ধারণা অনেকের। তবে তা ভুল। যদি সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তবে লিভারের অসুখ সারিয়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে লিভারের কোনও অসুখ থাকলে, জন্ডিস হয়ে থাকলে কিংবা অতিরিক্ত মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষত বাড়তে থাকে। শুরুটা হয় ফ্যাটি লিভার দিয়ে, ধীরে ধীরে তা লিভারের জটিল রোগে পরিণত হয়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ‘লিভার সিরোসিস’।সচেতনতার অভাব ও রোজকার যাপনে অসংযমের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিভারের রোগ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। লিভার ভাল রাখতে হলে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে আগে জরুরি। রোজ এমন কিছু খাবার ও পানীয় খাওয়া হয়, যা তলে তলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। তাই কোনটি লিভারের জন্য ভাল ও কোনটি খারাপ, তা জেনে নেওয়া খুব জরুরি।লিভার মেদ তৈরি করে। রক্তের মধ্যে দিয়ে তা পেশিতে পৌঁছোয়। লিভার যতটা মেদ তৈরি করছে, আর যতটা খরচ করছে, তার মধ্যে যদি ভারসাম্য না থাকে, অর্থাৎ, মেদ বেশি হয়ে গেলে তা পরত হয়ে লিভারে জমতে থাকে। তখন চিকিৎসকেরা বলেন, ‘ফ্যাটি লিভার’ ধরা পড়েছে। সেই অবস্থায় কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে।চিকিৎসকের মতে, দেড় কাপ জলে এক টেবিলচামচ আদাকুচি মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে জল অর্ধেক করে নিন। এ বার সেই জল ঈষদুষ্ণ হলে তাতে এক চা-চামচ মধু আর এক টেবিলচামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে লিভারের জন্য জাদু পানীয়। শতরূপা বলেন, ‘‘রাতের খাবার খাওয়ার অন্তত ঘণ্টাদুয়েক পরে এই পানীয় খেয়ে নিতে হবে। রাতে ঘুমোনোর আগে এই পানীয় খেলে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যাঁদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাঁরা সকালে এই পানীয় খান, উপকার পাবেন।’’

হাসিনার মতো স্বৈরাচার হওয়ার ‘অওকাত’ তারেক রহমানের নেই: নাহিদ ইসলাম

হাসিনার মতো স্বৈরাচার হওয়ার ‘অওকাত’ তারেক রহমানের নেই: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সুরক্ষিত নয়। তিনি ‘নতুন স্বৈরাচার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তবে শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হওয়ার ‘অওকাত’ (ক্ষমতা) তাঁর নেই। স্বৈরাচারী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে রাজপথে গণ-আন্দোলন গড়ে উঠবে। আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিএনপি সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন ও নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। তারেক রহমানের উদ্দেশে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ন্যাড়া বেলতলায় একবার যায়, কিন্তু তারেক রহমান বারবার যায়। আমরা তারেক রহমানকেও বলব—দ্রুত সময়ের মধ্যে আপনি সঠিক পথে আসুন, গণতন্ত্রের পথে আসুন।’ নাহিদ আরও বলেন, ‘গণতন্ত্র তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়, মানবাধিকারও তারেক রহমানের হাতে সুরক্ষিত নয়। তারেক রহমান নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। যদি নতুন স্বৈরাচার হিসেবে আবির্ভূত হন, আমরা বিশ্বাস করি, তারেক রহমান শেখ হাসিনার মতো স্বৈরাচার হওয়ার বহু আগেই এ দেশের জনগণ রাজপথ প্রকম্পিত করবে এবং তারেক রহমান ও বিএনপির স্বৈরাচারী প্রবণতাকে রুখে দেবে।’ গণ-আন্দোলন আসন্ন—এমন হুঁশিয়ারি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আপনি সবাইকে যেহেতু ক্ষুব্ধ করছেন, জনগণের ভেতরে থাকা সব রাজনৈতিক শক্তি এখন এই বিএনপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হবে। ফলে ক্রমশ গণ-আন্দোলন আসন্ন।’ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, দেশে দুদক নিয়ে নতুন ‘কাণ্ড’ শুরু হয়েছে। সাত মাস পর দুদক পুনর্গঠন করে এনসিপি ও বিরোধী দলকে টার্গেট করা হচ্ছে। বিএনপির বিগত শাসনামলের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের কথা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘যদি সাহস থাকে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের দুদকের দুর্নীতির অভিযোগগুলো তদন্ত করুন। এ দেশের মানুষ অতীতেও দেখেছে কারা দুর্নীতি করে। রাস্তায় ইট-পাথর থেকে শুরু করে আপনারা দুর্নীতি করেছেন। এখন মহিষ ঘাস খাবে, সেখান থেকেও চাঁদাবাজি করছেন।’ নাহিদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অতীতে বিএনপিকে ক্ষমা করে ক্ষমতায় এনেছিল। এখন বিএনপি দুদককে এনসিপির বিরুদ্ধে ও তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির আহ্বায়ক। তিনি বলেন, দেশে ছাগলের মানবাধিকার রক্ষার জন্য বহু লোক থাকলেও মানুষের মানবাধিকার হরণ হলে কথা বলার মতো কোনো বুদ্ধিজীবী পাওয়া যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নাহিদ বলেন, সরকার নির্বাচন কমিশনকে ‘ভূলুণ্ঠিত’ করছে। প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফরের প্রসঙ্গ তুলে নাহিদ বলেন ‘আমি জানি না, আপনি সেখানে কী জবাব দেবেন। সাধারণত আপনার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন হয় না, কারণ, সংসদে দেখি, আপনি জবাব দেন না অথবা জবাব দিতে জানেন না, কথা বলতে পারেন না। আপনার পাশের জন আপনার হয়ে কথা বলেন। জাতিসংঘে এ রকম ব্যবস্থা আছে কি না অথবা সেখানে কথা বলার সুযোগ পাবেন কি না, আমরা জানি না।’ নাহিদ ইসলাম বলেন, বিএনপির প্রতিনিধিদল জাতিসংঘে গেলে সেখানে শুধু দলকে নয়, বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে। তাই সেখানে জাতীয় ঐক্যের চিত্র তুলে ধরা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। এনসিপির এ নেতা বলেন, ‘আপনি সেখানে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন, শুধু বিএনপিকে প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন না। ফলে, ভালো হতো, যদি জাতীয় ঐক্য আপনি দেখাতে পারতেন।’ এ প্রসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ বলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও অনেক সমালোচনা ছিল। কিন্তু পতিত স্বৈরাচারকে ঠেকাতে তিনি জাতীয় ঐক্য দেখিয়েছিলেন। নাহিদের অভিযোগ, তারেক রহমান সেই জাতীয় ঐক্য দেখাতেও ব্যর্থ হয়েছেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ তুলে নাহিদ বলেন, ‘আমাদের দুর্ভাগ্য যে, যে দল বিগত ১৬ বছর গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে, তারা ক্ষমতায় এসে এখন জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে। যে সরকার, যে দলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার হরণ হয়েছিল, তারা এখন অন্যের মানবাধিকার হরণ করছে।’ বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি ‘মদিনার ইসলাম’ কায়েমের কথা বলেছিল, কিন্তু এখন ইসলামবিরোধী আইন কীভাবে পাস করা যায়, সেই চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্তির প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এসআরবি’ (র‍্যাব) নিয়ে বিএনপি আগে যে অবস্থান নিয়েছিল, সেটিও তারা ভুলে গেছে। খালেদা জিয়া নিজে এটি বিলুপ্ত করার কথা বলেছেন এবং তারেক রহমানও র‍্যাব বিলুপ্ত করার কথা বলেছিলেন। এখন সরকার অন্য পথে হাঁটছে বলে অভিযোগ করে নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘জনগণের কাছে প্রতারণা করে যাচ্ছেন। জনগণ সবকিছুই বোঝে। জনগণ ইনশা আল্লাহ রাজপথে এবং ব্যালট বাক্সে এর জবাব দেবে।’ মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কোন ভিডিও নেই !
ঋণের ফাঁদ: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা

ঋণের ফাঁদ: ৩১ অবৈধ অ্যাপে লেনদেন না করতে সতর্কবার্তা

সহজ শর্তে দ্রুত ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে পরিচালিত অনুমোদনহীন মোবাইল অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ডিজিটাল মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম থেকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একই সঙ্গে অ্যাপস বা ঋণদাতা প্ল্যাটফর্ম থেকে ঋণ না নেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে আহ্বান জানিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিএফআইইউর পক্ষ থেকে এ সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। বিএফআইইউ জানিয়েছে, বিভিন্ন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক গ্রুপের মাধ্যমে সহজ শর্তে ও দ্রুত ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এসব অননুমোদিত অ্যাপ ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল ফোনে থাকা যোগাযোগের তথ্য, ছবি এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করছে। পরবর্তীকালে ঋণ আদায়ের নামে গ্রাহকদের ওপর অযাচিত চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশের হুমকি এবং অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগও রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এতে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আর্থিক নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বিএফআইইউ আরও জানায়, বাংলাদেশে ঋণ প্রদান একটি নিয়ন্ত্রিত আর্থিক কার্যক্রম। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন এবং প্রচলিত আইন ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো অনুসরণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মোবাইল অ্যাপ, ওয়েবসাইট কিংবা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে না। এ ধরনের অননুমোদিত ঋণ কার্যক্রমে প্রতারণা, আর্থিক অপরাধ ও মানি লন্ডারিংয়ের ঝুঁকি রয়েছে। বিশেষ করে ঋণের প্রলোভনে অপরিচিত কোনো অ্যাপ বা প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, ব্যক্তিগত ছবি, মোবাইলের যোগাযোগ তালিকা কিংবা অন্য কোনো সংবেদনশীল তথ্য না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিএফআইইউ। ঋণ দেওয়ার আগে অগ্রিম টাকা, নিবন্ধন ফি বা প্রসেসিং ফি দাবি করা হলেও সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। বিএফআইইউর নজরে আসা ৩১ অবৈধ বা অননুমোদিত ঋণদাতা অ্যাপগুলোর মধ্যে রয়েছে— সাথী লোন, পপক্যাশ, ফিনক্যাশ, কুইক লোন, কুইক টাকা, ঢাকা ফিন, লোনভাইব, দোস্ত লোন, টাকা ক্যাশ লোন, কেওয়নজা লোন, এসএসএইচ মানি, লোনবাডি, সাথি লোন, ক্যাশহোরা, আলো ক্যাশ, ফাস্ট লোন, ইজি টাকা, ধৈর্য লোন, ফিন ডট ডু, বঙ্গক্যাশ, আশা লোন, সুবিধা লোন, স্মার্ট লোন বিডি, অনলাইন লোন বিডি, সিটি অনলাইন লোন, বিডি সহজ লোন, ক্যাশ লোন, সোনালী, লোনহাট ও টাকানাও। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, অননুমোদিত এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারিত হলে কিংবা এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোনো অ্যাপ, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের গ্রুপ, ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য জানা থাকলে বিএফআইইউর কাছে অভিযোগ করা যাবে। মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ অনুযায়ী প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ শাস্তিযোগ্য অপরাধ হওয়ায় এ ধরনের কার্যক্রম থেকে সবাইকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ২৬ আগস্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুছ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.): ২৬ আগস্ট চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুছ

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের অংশ হিসেবে আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসের ৫৫তম গ্র্যান্ড জশনে জুলুছ। আগামী ২৬ আগস্ট এই সর্ববৃহৎ ধর্মীয় শোভাযাত্রা ও আনন্দ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হবে।সোমবার (১৭ আগস্ট) নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে মূল তথ্য উপস্থাপন করেন আনজুমান ট্রাস্টের সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মনজুর আলম মনজু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আনজুমান ট্রাস্টের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার।জুলুসের নেতৃত্ব ও বিশেষ অতিথিবৃন্দনেতৃত্ব: এবারের জশনে জুলুসে নেতৃত্ব দেবেন দরবারে সিরিকোটের অন্যতম সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ্ (মুদ্দাজিল্লুহুল আলী)।উপস্থিতি: জুলুসে আরও উপস্থিত থাকবেন দরবারের সাহেবজাদা হজরত সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ্ (মু. জি. আ.)এবং সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ্ (মু. জি. আ.)।ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসূল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.) বাংলাদেশে এই জশনে জুলুসের শুভ প্রবর্তন করেন।জুলুসের সময়সূচি ও রুট ম্যাপতারিখ ও সময়: ২৬ আগস্ট, সকাল ৮:০০ টায় জুলুসের শুভ সূচনা হবে।প্রারম্ভিক স্থান: চট্টগ্রামের মুরাদপুরের ষোলশহর আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া থেকে জুলুসটি শুরু হবে।রুট: নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা সংলগ্ন নির্ধারিত জুলুছ ময়দানে গিয়ে জমায়েত হবে।সমাপনী ও দোয়া: দুপুর ১২:০০ টায় বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে এবং পরবর্তীতে জোহরের নামাজ আদায় শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি দোয়া পরিচালনা করা হবে।বিশেষ নির্দেশনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাজুলুসের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং পবিত্রতা রক্ষার্থে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়েছে:নিষেধাজ্ঞা: জশনে জুলুসে ড্রামসেট নিয়ে প্রবেশ, নারীদের অংশগ্রহণ এবং ছোড়াছুড়ি বা খাবার নিক্ষেপ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।স্বেচ্ছাসেবক ও আইনশৃঙ্খলা: পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি শৃঙ্খলা রক্ষায় আনজুমানের ১০ হাজার প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।নগরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ: জুলুসকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম মহানগরী ও বিভিন্ন উপজেলায় সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। নগরীর সড়কদ্বীপ, সড়ক বিভাজক এবং অলিগলি আনজুমান ট্রাস্টের পতাকা, ফেস্টুন ও ব্যানারে সেজে উঠেছে।আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেছেন, বরাবরের মতো এবারও এই জশনে জুলুছ লাখো মানুষের অংশগ্রহণে এক বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নেবে।

ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে। / ফ্যাটি লিভার ধরা পড়েছে? রোজ রাতে একটি জাদু পানীয়ে চুমুক দিলেই চাঙ্গা থাকবে শরীর

লিভারের রোগ সারে না, এমনই ধারণা অনেকের। তবে তা ভুল। যদি সঠিক সময়ে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তবে লিভারের অসুখ সারিয়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিন ধরে লিভারের কোনও অসুখ থাকলে, জন্ডিস হয়ে থাকলে কিংবা অতিরিক্ত মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষত বাড়তে থাকে। শুরুটা হয় ফ্যাটি লিভার দিয়ে, ধীরে ধীরে তা লিভারের জটিল রোগে পরিণত হয়, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে ‘লিভার সিরোসিস’।সচেতনতার অভাব ও রোজকার যাপনে অসংযমের কারণে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লিভারের রোগ অনেক দেরিতে ধরা পড়ে। লিভার ভাল রাখতে হলে খাওয়াদাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে আগে জরুরি। রোজ এমন কিছু খাবার ও পানীয় খাওয়া হয়, যা তলে তলে লিভারের মারাত্মক ক্ষতি করে দেয়। তাই কোনটি লিভারের জন্য ভাল ও কোনটি খারাপ, তা জেনে নেওয়া খুব জরুরি।লিভার মেদ তৈরি করে। রক্তের মধ্যে দিয়ে তা পেশিতে পৌঁছোয়। লিভার যতটা মেদ তৈরি করছে, আর যতটা খরচ করছে, তার মধ্যে যদি ভারসাম্য না থাকে, অর্থাৎ, মেদ বেশি হয়ে গেলে তা পরত হয়ে লিভারে জমতে থাকে। তখন চিকিৎসকেরা বলেন, ‘ফ্যাটি লিভার’ ধরা পড়েছে। সেই অবস্থায় কেবল ওষুধ খেয়ে লিভারের মেদ ঝরানো সম্ভব নয়। তার জন্য কিছু বিশেষ পানীয় খেতে হয়। চিকিৎসক শতরূপা চট্টোপাধ্যায় এমনই এক পানীয়ের কথা জানালেন, যা লিভার সুস্থ রাখতে এবং লিভারের অসুখ সারাতে কাজে লাগবে।চিকিৎসকের মতে, দেড় কাপ জলে এক টেবিলচামচ আদাকুচি মিশিয়ে ভাল করে ফুটিয়ে জল অর্ধেক করে নিন। এ বার সেই জল ঈষদুষ্ণ হলে তাতে এক চা-চামচ মধু আর এক টেবিলচামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিন। তা হলেই তৈরি হয়ে যাবে লিভারের জন্য জাদু পানীয়। শতরূপা বলেন, ‘‘রাতের খাবার খাওয়ার অন্তত ঘণ্টাদুয়েক পরে এই পানীয় খেয়ে নিতে হবে। রাতে ঘুমোনোর আগে এই পানীয় খেলে সবচেয়ে ভাল কাজ করে। আর যাঁদের অ্যাসিডিটির সমস্যা আছে, তাঁরা সকালে এই পানীয় খান, উপকার পাবেন।’’

লাইফ স্টাইল

কোন পোস্ট নেই !
অনলাইন জরিপ
১৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৫০ পিএম
ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

ফেব্রুয়ারীতে নির্বাচনের বিষয়ে কি আপনি একমত ?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন

সাহিত্য

কোন পোস্ট নেই !

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা