সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় সিঁড়ি থেকে পড়ে মো. জামশেদুল ইসলাম (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে স্থানীয় একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত জামশেদুল ইসলাম চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আব্দুস সালামের বাড়ির মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। ছয় বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তিনি আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন এবং আবুধাবির মুসাফ্ফা এলাকায় বসবাস করতেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট আবুধাবির মুসাফ্ফা থেকে আল আইন এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে যান জামশেদুল। সেখানে কাজ করার সময় হঠাৎ সিঁড়ি থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে দীর্ঘ প্রায় দুই সপ্তাহ লড়াইয়ের পর শনিবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তার মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের ছোট ছেলেকে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
সংযুক্ত আরব আমিরাতে নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করার সময় সিঁড়ি থেকে পড়ে মো. জামশেদুল ইসলাম (২৫) নামের এক বাংলাদেশি যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে স্থানীয় একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত জামশেদুল ইসলাম চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আব্দুস সালামের বাড়ির মো. নজরুল ইসলামের ছেলে। ছয় বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তিনি আমিরাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন এবং আবুধাবির মুসাফ্ফা এলাকায় বসবাস করতেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ আগস্ট আবুধাবির মুসাফ্ফা থেকে আল আইন এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে কাজ করতে যান জামশেদুল। সেখানে কাজ করার সময় হঠাৎ সিঁড়ি থেকে নিচে পড়ে গিয়ে তার মাথায় গুরুতর আঘাত পায়। সহকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে দীর্ঘ প্রায় দুই সপ্তাহ লড়াইয়ের পর শনিবার বিকেলে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহতের স্বজনরা জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চলতি সপ্তাহের মধ্যেই তার মরদেহ দেশে আনার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারের ছোট ছেলেকে হারিয়ে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন