হ্যাঁ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য এই বাজেটটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩০ জুন (২০২৬) দুপুরে থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে ২,২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার এই প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন।
এটি ছিল তার মেয়াদের দ্বিতীয় বাজেট। এই বাজেটের প্রধান কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আয় ও ব্যয়ের প্রধান খাতসমূহ
সর্বোচ্চ বরাদ্দ (উন্নয়ন খাত): বাজেটে বরাবরের মতোই উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এডিপির (ADP) উন্নয়ন প্রকল্প ও নিজস্ব তহবিল মিলে নগর উন্নয়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১,০৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (যার মধ্যে এডিপি প্রকল্পে ৮২৫ কোটি টাকা)। সড়ক উন্নয়ন, মশক নিধন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো ২৯টি খাতে এই টাকা ব্যয় হবে।
বেতন-ভাতা ও পরিচালনা ব্যয়: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
দেনা পরিশোধ: মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ের ৫৯৬ কোটি টাকা দেনা বর্তমানে কমে ৩৮০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এবারের বাজেটে বকেয়া দেনা পরিশোধের জন্য ১৮৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
২. আয়ের উৎস
চসিকের নিজস্ব উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ১,১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা (যার মধ্যে কর ও অভিকর খাত থেকে ৪২৬ কোটি এবং বকেয়া কর থেকে ১৯৭ কোটি টাকা)।
এছাড়া সরকারি অনুদান ও অন্যান্য খাত থেকে বাকি টাকা আসবে।
৩. বিশেষ ঘোষণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বড় প্রতিষ্ঠানের কর আদায়: গৃহকরের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের জন্য রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে কর ন্যায্য করা হলেও বন্দর, রেলওয়ে, কন্টেইনার টার্মিনাল ও ওয়েল কোম্পানিগুলোর মতো বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে কঠোরভাবে বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র।
ডিজিটালাইজেশন: চসিকের সেবা ও কার্যক্রমকে সহজ করতে 'এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং' (ERP) সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে পুরো কর্পোরেশনকে ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক হাসপাতাল: বিএফআইডিসি (BFIDC) রোডে চসিকের নিজস্ব জমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে জমি বিনিময়ের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
হ্যাঁ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য এই বাজেটটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩০ জুন (২০২৬) দুপুরে থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আনুষ্ঠানিকভাবে ২,২৬০ কোটি ২৪ লাখ টাকার এই প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেন।
এটি ছিল তার মেয়াদের দ্বিতীয় বাজেট। এই বাজেটের প্রধান কিছু দিক নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আয় ও ব্যয়ের প্রধান খাতসমূহ
সর্বোচ্চ বরাদ্দ (উন্নয়ন খাত): বাজেটে বরাবরের মতোই উন্নয়ন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এডিপির (ADP) উন্নয়ন প্রকল্প ও নিজস্ব তহবিল মিলে নগর উন্নয়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১,০৩৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা (যার মধ্যে এডিপি প্রকল্পে ৮২৫ কোটি টাকা)। সড়ক উন্নয়ন, মশক নিধন ও জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো ২৯টি খাতে এই টাকা ব্যয় হবে।
বেতন-ভাতা ও পরিচালনা ব্যয়: কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৮০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
দেনা পরিশোধ: মেয়রের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ের ৫৯৬ কোটি টাকা দেনা বর্তমানে কমে ৩৮০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। এবারের বাজেটে বকেয়া দেনা পরিশোধের জন্য ১৮৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
২. আয়ের উৎস
চসিকের নিজস্ব উৎস থেকে আয় ধরা হয়েছে ১,১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা (যার মধ্যে কর ও অভিকর খাত থেকে ৪২৬ কোটি এবং বকেয়া কর থেকে ১৯৭ কোটি টাকা)।
এছাড়া সরকারি অনুদান ও অন্যান্য খাত থেকে বাকি টাকা আসবে।
৩. বিশেষ ঘোষণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
বড় প্রতিষ্ঠানের কর আদায়: গৃহকরের ক্ষেত্রে সাধারণ নাগরিকদের জন্য রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে কর ন্যায্য করা হলেও বন্দর, রেলওয়ে, কন্টেইনার টার্মিনাল ও ওয়েল কোম্পানিগুলোর মতো বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে কঠোরভাবে বকেয়া রাজস্ব আদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন মেয়র।
ডিজিটালাইজেশন: চসিকের সেবা ও কার্যক্রমকে সহজ করতে 'এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং' (ERP) সফটওয়্যার তৈরির মাধ্যমে পুরো কর্পোরেশনকে ডিজিটালাইজড করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক হাসপাতাল: বিএফআইডিসি (BFIDC) রোডে চসিকের নিজস্ব জমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে জমি বিনিময়ের মাধ্যমে একটি আন্তর্জাতিক মানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন