চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী জাতীয় সংসদে রাঙ্গুনিয়ার অবৈধ বালু উত্তোলন, নদীভাঙন এবং যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরী হত্যা প্রসঙ্গ তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাজেট অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন অবৈধ বালু উত্তোলন, যা একটি সংঘবদ্ধ মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়ার বালু উত্তোলন খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু একই সময়ে নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। তাঁর মতে, এই হিসাবই প্রমাণ করে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ও পরিবেশগত ক্ষতি কতটা ভয়াবহ।
তিনি আরও দাবি করেন, নদী থেকে উত্তোলিত বালুর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে এবং এই ব্যবসা এখন একটি শক্তিশালী মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি নিহত স্থানীয় যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরীর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অবৈধ বালুর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।
বক্তব্যে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পরিবেশ ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
হুমাম কাদের চৌধুরীর এই বক্তব্য সংসদে রাঙ্গুনিয়ার দীর্ঘদিনের অবৈধ বালু উত্তোলন সমস্যা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী জাতীয় সংসদে রাঙ্গুনিয়ার অবৈধ বালু উত্তোলন, নদীভাঙন এবং যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরী হত্যা প্রসঙ্গ তুলে ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাজেট অধিবেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, রাঙ্গুনিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্যা এখন অবৈধ বালু উত্তোলন, যা একটি সংঘবদ্ধ মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন, ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাঙ্গুনিয়ার বালু উত্তোলন খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। কিন্তু একই সময়ে নদীভাঙন প্রতিরোধে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৮০ কোটি টাকা। তাঁর মতে, এই হিসাবই প্রমাণ করে অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে রাষ্ট্রের আর্থিক ও পরিবেশগত ক্ষতি কতটা ভয়াবহ।
তিনি আরও দাবি করেন, নদী থেকে উত্তোলিত বালুর ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে এবং এই ব্যবসা এখন একটি শক্তিশালী মাফিয়া চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি নিহত স্থানীয় যুবদল নেতা মাসুদ চৌধুরীর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই অবৈধ বালুর সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।
বক্তব্যে তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং পরিবেশ ও জননিরাপত্তা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।
হুমাম কাদের চৌধুরীর এই বক্তব্য সংসদে রাঙ্গুনিয়ার দীর্ঘদিনের অবৈধ বালু উত্তোলন সমস্যা এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধ কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন