প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন, এরপর নির্বাচিত হয়েই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গত এপ্রিলে ভেঙে দেয় আমিনুলের বোর্ড। সভাপতি পদ হারানোর পর বিভিন্নভাবে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে খবর বেরিয়েছিল। নতুন খবর, বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত করতে, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে অভিভাবক সংস্থাকে চিঠি দিয়েছেন বুলবুল।
আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিলেও বরাবরই নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন তিনি। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন এবং তাকে আবারও বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর আগ পর্যন্ত বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছেন।
সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় এটি উড়িয়ে দিয়ে আমিনুল বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা।’ তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো তার সেই বিশাল চিঠির বেশকিছু অংশ সংবাদকর্মীদের হাতে এসেছে এবং সেখানে আমিনুলের স্বাক্ষরও আছে।
সেই চিঠির একটি অংশে ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইসিসি তহবিল স্থগিতকরণ’ শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেয়া, যতক্ষণ না- (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোন ব্যক্তিকে আইসিসির কোন তহবিল প্রদান করা যাবে না।’
‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ জুন মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ জুন তারিখে নির্বাচিত কোন বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেয়া।’

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুন ২০২৬
প্রথমে অন্তর্বর্তীকালীন, এরপর নির্বাচিত হয়েই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি হন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ এনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ গত এপ্রিলে ভেঙে দেয় আমিনুলের বোর্ড। সভাপতি পদ হারানোর পর বিভিন্নভাবে আইসিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে খবর বেরিয়েছিল। নতুন খবর, বাংলাদেশের পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিত করতে, আইসিসির তহবিল বন্ধ করতে ও আইসিসি টুর্নামেন্টগুলো থেকে বাদ দিতে অভিভাবক সংস্থাকে চিঠি দিয়েছেন বুলবুল।
আমিনুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ভেঙে দিলেও বরাবরই নিজেকে বৈধ সভাপতি দাবি করে আসছেন তিনি। আইসিসির চিঠিতেও বৈধ সভাপতি হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন এবং তাকে আবারও বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে ফেরানোর আগ পর্যন্ত বিসিবির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করেছেন।
সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর এক ভিডিও বার্তায় এটি উড়িয়ে দিয়ে আমিনুল বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা।’ তবে আইনজীবীর মাধ্যমে আইসিসিতে পাঠানো তার সেই বিশাল চিঠির বেশকিছু অংশ সংবাদকর্মীদের হাতে এসেছে এবং সেখানে আমিনুলের স্বাক্ষরও আছে।
সেই চিঠির একটি অংশে ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত আইসিসি তহবিল স্থগিতকরণ’ শিরোনামে লেখা হয়েছে, ‘বিসিবিকে বর্তমানে প্রদেয় বা পরিশোধযোগ্য আইসিসির সকল তহবিল এসক্রোতে (শর্তসাপেক্ষে আটকে রাখা) রাখা হবে বা স্থগিত করা হবে বলে নির্দেশনা দেয়া, যতক্ষণ না- (ক) নির্বাচিত বোর্ডের পুনঃস্থাপন অথবা আইসিসি ডিআরসি কর্তৃক একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়; এবং (গ) বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ আদালতের মামলার নিষ্পত্তি হয়। ৭ জুন ২০২৬-এর নির্বাচনের ভিত্তিতে বিসিবির কর্তৃত্ব দাবি করে এমন কোন ব্যক্তিকে আইসিসির কোন তহবিল প্রদান করা যাবে না।’
‘বাংলাদেশ সরকারকে আনুষ্ঠানিক সতর্কবার্তা জারি’ শিরোনামে আরেকটি অংশে লেখা হয়েছে, ‘একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বাংলাদেশ সরকার, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে জানানো যে: (ক) একটি অবৈধভাবে গঠিত অ্যাডহক কমিটি দ্বারা রাজনৈতিকভাবে কারসাজি করা ভোটার তালিকার মাধ্যমে পরিচালিত ২০২৬ সালের ৭ জুন মাসের নির্বাচনটি আইসিসি সংবিধানের ২.৪(গ) এবং ২.৪(ঘ) ধারার আরও একটি গুরুতর লঙ্ঘন; (খ) আইসিসি ২০২৬ সালের ৭ জুন তারিখে নির্বাচিত কোন বোর্ডকে বিসিবির বৈধ পরিচালনা কর্তৃপক্ষ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না; (গ) আইসিসি নির্বাচিত বোর্ডকে অবিলম্বে পুনর্বহাল করার দাবি জানাচ্ছে, এবং (ঘ) আইসিসি কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নির্বাচিত বোর্ডকে পুনর্বহাল করতে ব্যর্থ হলে, আইসিসির ২.১০(ক) ধারার অধীনে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে বিসিবির পূর্ণ সদস্যপদ স্থগিতকরণ, আইসিসির তহবিল জব্দকরণ এবং আইসিসি ইভেন্টগুলো থেকে বাংলাদেশ দলকে বাদ দেয়া।’

আপনার মতামত লিখুন