আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যৌথ অভিযানে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ১৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আরব। খবর সৌদি গেজেটের।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৩ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ তল্লাশি অভিযানে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭ হাজার ১০৩ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৬৫৪ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৩৯৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে ১ হাজার ৪১৮ জনকে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ ইয়েমেনের নাগরিক, ৪৫ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
এছাড়া ২৩ জনকে অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৭ জনকে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয়, চাকরি দেয়া বা তাদের গোপন রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজার ৬৭৯ জন আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এদের মধ্যে ২৮ হাজার ১৮৭ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৪৯২ জন নারী।
এদের মধ্যে ১৭ হাজার ৯০৩ জনকে ভ্রমণসংক্রান্ত নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৫ হাজার ৪২৪ জনকে তাদের দেশে ফেরার ভ্রমণ বুকিং সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে। আর ১২ হাজার ৬১৩ জনকে ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত (ডিপোর্ট) পাঠানো হয়েছে।
এদিন সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, কেউ যদি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারীদের সৌদি আরবে প্রবেশে সহায়তা করেন, দেশের ভেতরে পরিবহন করেন, আশ্রয় দেন অথবা অন্য কোনো ধরনের সহযোগিতা বা সেবা প্রদান করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা, অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও বাসস্থান জব্দ, পাশাপাশি জনসমক্ষে পরিচয় প্রকাশের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
দেশটির মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধকে গ্রেপ্তারযোগ্য গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি সম্মান ও বিশ্বাসভঙ্গের শামিল।
এ ধরনের আইন লঙ্ঘনের তথ্য পেলে তা জানাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সোদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে ৯১১ নম্বরে এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকায় ৯৯৯ অথবা ৯৯৬ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে যৌথ অভিযানে গত এক সপ্তাহে ১৪ হাজার ১৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সৌদি আরব। খবর সৌদি গেজেটের।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৩ থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ তল্লাশি অভিযানে আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৭ হাজার ১০৩ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৬৫৪ জন এবং শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩ হাজার ৩৯৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, একই সময়ে ১ হাজার ৪১৮ জনকে অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫৪ শতাংশ ইয়েমেনের নাগরিক, ৪৫ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক।
এছাড়া ২৩ জনকে অবৈধভাবে সৌদি আরব ত্যাগের চেষ্টা করার সময় আটক করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৭ জনকে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনকারীদের পরিবহন, আশ্রয়, চাকরি দেয়া বা তাদের গোপন রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে ৩০ হাজার ৬৭৯ জন আইন লঙ্ঘনকারীর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এদের মধ্যে ২৮ হাজার ১৮৭ জন পুরুষ এবং ২ হাজার ৪৯২ জন নারী।
এদের মধ্যে ১৭ হাজার ৯০৩ জনকে ভ্রমণসংক্রান্ত নথি সংগ্রহের জন্য নিজ নিজ দেশের কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৫ হাজার ৪২৪ জনকে তাদের দেশে ফেরার ভ্রমণ বুকিং সম্পন্ন করার জন্য পাঠানো হয়েছে। আর ১২ হাজার ৬১৩ জনকে ইতোমধ্যে নিজ নিজ দেশে ফেরত (ডিপোর্ট) পাঠানো হয়েছে।
এদিন সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, কেউ যদি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমকারীদের সৌদি আরবে প্রবেশে সহায়তা করেন, দেশের ভেতরে পরিবহন করেন, আশ্রয় দেন অথবা অন্য কোনো ধরনের সহযোগিতা বা সেবা প্রদান করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা, অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও বাসস্থান জব্দ, পাশাপাশি জনসমক্ষে পরিচয় প্রকাশের মতো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হতে পারে।
দেশটির মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, এ ধরনের অপরাধকে গ্রেপ্তারযোগ্য গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এটি সম্মান ও বিশ্বাসভঙ্গের শামিল।
এ ধরনের আইন লঙ্ঘনের তথ্য পেলে তা জানাতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সোদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলে ৯১১ নম্বরে এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকায় ৯৯৯ অথবা ৯৯৬ নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন