চট্টগ্রাম ব্যুরো: বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামেও চালু হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) চালিত আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে এবং নগরের যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রথম ধাপে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৭টি পয়েন্টে বসানো হচ্ছে বিশেষ এআই ক্যামেরা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, প্রজেক্টটির প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং দ্রুতই এটি দৃশ্যমান হবে।
প্রথম ধাপে যে ৭ পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা
নগরের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে প্রথম পর্যায়ের জন্য এই ৭টি মোড় নির্বাচন করা হয়েছে: ১. জিইসি মোড় ২. ২ নম্বর গেট ৩. বহদ্দারহাট মোড় ৪. আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় ৫. টাইগারপাস মোড় ৬. অলঙ্কার মোড় ৭. কাস্টমস মোড়
কীভাবে কাজ করবে এই এআই ট্রাফিক সিস্টেম?
ঐতিহ্যগত ট্রাফিক সিগন্যাল বা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে এই সিস্টেম সম্পূর্ণ আলাদা এবং উন্নত। এর মূল কার্যপদ্ধতি হবে নিম্নরূপ:
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, "চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেএটি একটি বড় পদক্ষেপ। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বাড়াতেএই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপের এই ৭টি পয়েন্টের কার্যকারিতা ও সফলতা মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম শহরের বাকি গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোকেও এই এআই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে।
নাগরিক জীবনে প্রভাব
এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশের ইশারার জন্য দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে থাকার অবসান ঘটবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তির শতভাগ সুফল পেতে চালকদের ট্রাফিক সচেতনতা এবং নম্বর প্লেট ডিজিটাল ও স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রামের এই আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম নিঃসন্দেহে একটি বড় মাইলফলক।

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রাম ব্যুরো: বন্দরনগরী চট্টগ্রামের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। ঢাকার পর এবার চট্টগ্রামেও চালু হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) চালিত আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে এবং নগরের যানজট নিয়ন্ত্রণে প্রথম ধাপে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৭টি পয়েন্টে বসানো হচ্ছে বিশেষ এআই ক্যামেরা।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) সূত্রে জানা গেছে, প্রজেক্টটির প্রাথমিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং দ্রুতই এটি দৃশ্যমান হবে।
প্রথম ধাপে যে ৭ পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা
নগরের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং যানজটপ্রবণ এলাকাগুলোকে চিহ্নিত করে প্রথম পর্যায়ের জন্য এই ৭টি মোড় নির্বাচন করা হয়েছে: ১. জিইসি মোড় ২. ২ নম্বর গেট ৩. বহদ্দারহাট মোড় ৪. আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় ৫. টাইগারপাস মোড় ৬. অলঙ্কার মোড় ৭. কাস্টমস মোড়
কীভাবে কাজ করবে এই এআই ট্রাফিক সিস্টেম?
ঐতিহ্যগত ট্রাফিক সিগন্যাল বা সনাতন পদ্ধতির চেয়ে এই সিস্টেম সম্পূর্ণ আলাদা এবং উন্নত। এর মূল কার্যপদ্ধতি হবে নিম্নরূপ:
সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সিএমপির ট্রাফিক বিভাগের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, "চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেএটি একটি বড় পদক্ষেপ। রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের ওপর চাপ কমানোর পাশাপাশি চালকদের মধ্যে আইন মানার প্রবণতা বাড়াতেএই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রথম ধাপের এই ৭টি পয়েন্টের কার্যকারিতা ও সফলতা মূল্যায়ন করে পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম শহরের বাকি গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোকেও এই এআই নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হবে।
নাগরিক জীবনে প্রভাব
এই উদ্যোগের ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াত আরও নির্বিঘ্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশের ইশারার জন্য দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে থাকার অবসান ঘটবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তির শতভাগ সুফল পেতে চালকদের ট্রাফিক সচেতনতা এবং নম্বর প্লেট ডিজিটাল ও স্পষ্ট হওয়া জরুরি।
ডিজিটাল বাংলাদেশের পর এবার 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বিনির্মাণের অগ্রযাত্রায় চট্টগ্রামের এই আধুনিক ট্রাফিক সিস্টেম নিঃসন্দেহে একটি বড় মাইলফলক।

আপনার মতামত লিখুন