চট্টগ্রাম    রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

সারাদেশ

কাপ্তাই সড়কের উভয়পাশে মৃত্যুর ফাঁদ: শত শত মৃত বৃক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের দাবি

কাপ্তাই সড়কের উভয়পাশে মৃত্যুর ফাঁদ: শত শত মৃত বৃক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের (কাপ্তাই সড়ক) উভয়পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত মৃত বৃক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি এখন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের জন্য আতঙ্কের অন্য নাম। সামান্য বাতাস কিংবা কালবৈশাখীর আভাস পেলেই যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তটস্থ থাকেন এ পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও এসব মরা গাছ ও ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি অপসারণে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

সরেজমিনে দেখা যায়, কাপ্তাই সড়কের দুপাশে দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য গাছ শুকিয়ে মরা কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অনেক গাছের শেকড় পচে গেছে, ডালপালাগুলোও শুকিয়ে ভঙ্গুর হয়ে ঝুলে আছে। একটু জোরে বাতাস বইলেই এসব গাছের শুকনা ডাল ভেঙে সড়কে পড়ছে। এমনকি অনেক সময় মূল গাছসহ উপড়ে পড়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

একই সঙ্গে সড়কের একদম পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় হেলে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোও মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো সময় গাছ বা খুঁটি ভেঙে বড় ধরনের প্রাণহানি বা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন নিয়মিত যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও দাবি

নিয়মিত কাপ্তাই সড়কে যাতায়াতকারী এক যাত্রী বলেন, "এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে। রাস্তার পাশের মরা গাছগুলো দেখে মনে হয় যেকোনো সময় আমাদের ওপর আছড়ে পড়বে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।"

পথচারী ও স্থানীয় সচেতন মহলের একটাই দাবি— কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই দ্রুত কাপ্তাই সড়কের উভয়পাশের মৃত বৃক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা হোক। অন্যথায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬


কাপ্তাই সড়কের উভয়পাশে মৃত্যুর ফাঁদ: শত শত মৃত বৃক্ষ ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের (কাপ্তাই সড়ক) উভয়পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত মৃত বৃক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটি এখন সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের জন্য আতঙ্কের অন্য নাম। সামান্য বাতাস কিংবা কালবৈশাখীর আভাস পেলেই যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তটস্থ থাকেন এ পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও এসব মরা গাছ ও ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি অপসারণে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীরা।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল

সরেজমিনে দেখা যায়, কাপ্তাই সড়কের দুপাশে দীর্ঘদিন ধরে অসংখ্য গাছ শুকিয়ে মরা কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অনেক গাছের শেকড় পচে গেছে, ডালপালাগুলোও শুকিয়ে ভঙ্গুর হয়ে ঝুলে আছে। একটু জোরে বাতাস বইলেই এসব গাছের শুকনা ডাল ভেঙে সড়কে পড়ছে। এমনকি অনেক সময় মূল গাছসহ উপড়ে পড়ে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে।

একই সঙ্গে সড়কের একদম পাশেই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় হেলে থাকা বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলোও মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেকোনো সময় গাছ বা খুঁটি ভেঙে বড় ধরনের প্রাণহানি বা মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন নিয়মিত যাতায়াতকারী সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের ক্ষোভ ও দাবি

নিয়মিত কাপ্তাই সড়কে যাতায়াতকারী এক যাত্রী বলেন, "এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি ও সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে। রাস্তার পাশের মরা গাছগুলো দেখে মনে হয় যেকোনো সময় আমাদের ওপর আছড়ে পড়বে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।"

পথচারী ও স্থানীয় সচেতন মহলের একটাই দাবি— কোনো প্রাণহানি ঘটার আগেই দ্রুত কাপ্তাই সড়কের উভয়পাশের মৃত বৃক্ষ এবং ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা হোক। অন্যথায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে