পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত দফতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাবের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি একটি অনন্য উদাহরণ।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন:-
বাণী
“আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ), এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমণে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছি। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
বিশ্বমানবের নিকট এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি-সংগ্রাম-সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আধার চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। তাঁর কালজ্বয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা, মানুষের প্রতি সহানুভুতি মানবজাতির নিকট চিরকালীন এক পরম শিক্ষা হয়ে থাকবে। কৈশোরকাল থেকেই তিনি মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা, যিনি কোনদিন আমানতের খেয়ানত করেননি, অন্যের উপকার করা যিনি পরম কর্তব্য বলে মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রমী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি তাওহিদের বাণী সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন মহানবীর (সাঃ) উপর অবতীর্ণ করেন, যা মানব জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশাবলী অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে। তাঁর জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠাসহ নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়।
আমি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন হযরত মোহাম্মদ (সঃ)‘র প্রতি সালাম জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষ্যে দেশবাসীসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত দফতরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাবের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর শুভাগমনে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়েছিল। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি একটি অনন্য উদাহরণ।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী নিম্নোক্ত বাণী দিয়েছেন:-
বাণী
“আজ পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ), এই পবিত্র দিনে বিশ্বজগতে এক সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানবের আবির্ভাব হয়। এই শিশুর শুভাগমণে সারা দুনিয়ায় রহমতের অবারিত দ্বার উন্মোচিত হয়। সততা, নম্রতা, উদারতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং নবীজির প্রদর্শিত পথে চলার জন্য এই দিনটি এক অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে আমি দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহর অসীম শান্তি ও অফুরন্ত কল্যাণ কামনা করছি। তাদের জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
বিশ্বমানবের নিকট এক অসাধারণ আলোকবর্তিকা, শান্তি-সংগ্রাম-সম্প্রীতি ও মূল্যবোধের আধার চরম সত্যবাদী ও পরম বিশ্বস্ত হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। তাঁর কালজ্বয়ী মূল্যবোধ, মানবতা, সহমর্মিতা, উদারতা, মানুষের প্রতি সহানুভুতি মানবজাতির নিকট চিরকালীন এক পরম শিক্ষা হয়ে থাকবে। কৈশোরকাল থেকেই তিনি মিথ্যার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা, যিনি কোনদিন আমানতের খেয়ানত করেননি, অন্যের উপকার করা যিনি পরম কর্তব্য বলে মনে করতেন। বড়দের সম্মান ও ছোটদের স্নেহ করার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সাঃ)। পরম সত্যের সন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখে তিনি ৪০ বছর বয়সে নবুয়াত লাভ করেন। কঠোর পরিশ্রমী প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে তিনি তাওহিদের বাণী সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন সীমাহীন নির্যাতন সহ্য করেও। আল্লাহ তা’আলা পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন মহানবীর (সাঃ) উপর অবতীর্ণ করেন, যা মানব জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক মুক্তির যাবতীয় নির্দেশাবলী অনুশীলনের মাধ্যমে মানুষকে পরিপূর্ণ ও মর্যাদাশীল করে তোলে। তাঁর জীবন ও কর্ম অনুসরণের মাধ্যমে মুসলিমরা শৃঙ্খলিত মানুষের মুক্তি ও মানবতা প্রতিষ্ঠাসহ নিজেদের জীবনকে সুন্দর ও কল্যাণের পথে পরিচালিত করার অনুপ্রেরণা পায়।
আমি শেষ নবী সাইয়েদুল মুরসালিন হযরত মোহাম্মদ (সঃ)‘র প্রতি সালাম জানাই।
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।”

আপনার মতামত লিখুন