চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) গেটের সামনে ফের একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে একটি নিয়ন্ত্রণহীন প্রাইভেটকার আকস্মিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও সড়কের এই অংশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
দুর্ঘটনার মূল কারণ অপরিকল্পিত ডিভাইডার: সড়কের এই অংশে কোনো দৃশ্যমান ও সংকেতযুক্ত বাতি বা রিফ্লেক্টর না থাকায় রাতের আঁধারে উঁচু ডিভাইডারগুলো চালকদের চোখে পড়ে না।
তীব্র আলোকসংকট: পুরো এলাকায় পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইটের অভাব রয়েছে, যার ফলে রাত বেলায় দৃষ্টিসীমা মারাত্মকভাবে কমে যায়। বেপরোয়া গতি: কাপ্তাই সড়কের এই ঢালু ও বাঁকযুক্ত অংশে দূরপাল্লার ও স্থানীয় যানবাহনগুলো অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করায় চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন।
নিত্যদিনের দুর্ভোগ ও শঙ্কা চুয়েট গেট সংলগ্ন এই এলাকাটিতে প্রতি মাসে গড়ে ৭ থেকে ৮টি ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক পারাপার করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী, গতিরোধক বা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়নি।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে চুয়েট গেট এলাকার ডিভাইডার সংস্কার, পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইট স্থাপন এবং স্পিডব্রেকার নির্মাণের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) গেটের সামনে ফের একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে একটি নিয়ন্ত্রণহীন প্রাইভেটকার আকস্মিক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি সত্ত্বেও সড়কের এই অংশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
দুর্ঘটনার মূল কারণ অপরিকল্পিত ডিভাইডার: সড়কের এই অংশে কোনো দৃশ্যমান ও সংকেতযুক্ত বাতি বা রিফ্লেক্টর না থাকায় রাতের আঁধারে উঁচু ডিভাইডারগুলো চালকদের চোখে পড়ে না।
তীব্র আলোকসংকট: পুরো এলাকায় পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইটের অভাব রয়েছে, যার ফলে রাত বেলায় দৃষ্টিসীমা মারাত্মকভাবে কমে যায়। বেপরোয়া গতি: কাপ্তাই সড়কের এই ঢালু ও বাঁকযুক্ত অংশে দূরপাল্লার ও স্থানীয় যানবাহনগুলো অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করায় চালকরা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন।
নিত্যদিনের দুর্ভোগ ও শঙ্কা চুয়েট গেট সংলগ্ন এই এলাকাটিতে প্রতি মাসে গড়ে ৭ থেকে ৮টি ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সড়ক পারাপার করছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো নিরাপত্তা বেষ্টনী, গতিরোধক বা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হয়নি।
দ্রুততম সময়ের মধ্যে চুয়েট গেট এলাকার ডিভাইডার সংস্কার, পর্যাপ্ত স্ট্রিটলাইট স্থাপন এবং স্পিডব্রেকার নির্মাণের মাধ্যমে একটি নিরাপদ ট্রাফিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

আপনার মতামত লিখুন