গত বুধবার রাতে নগরের আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত নারীসহ এএসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্নাকে অবরুদ্ধ করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্ত নুরুন্নবী মুন্না ডিএমপিতে এএসআই হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং নারীটি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা ও সৌদি আরব প্রবাসী মো. জহির শাহের স্ত্রী কাজী পারভীন আক্তার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রবাসী জহির শাহ ২০১৮ সাল থেকে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এর সুবাদে এবং এএসআই নুরুন্নবী মুন্না অতীতে আকবরশাহ থানায় কর্মরত থাকার সূত্রে ২০২১ সাল থেকে ওই প্রবাসীর বাসায় যাতায়াত শুরু করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে রাতযাপন ও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এছাড়া আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই ফ্ল্যাট থেকে জহিরের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ লাখ টাকা সরিয়ে ফেলেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসার পর প্রবাসীর ভাই বাদী হয়ে আকবরশাহ থানায় ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গত বুধবার রাতে নগরের আকবরশাহ থানাধীন বিশ্ব কলোনি আই-ব্লকের একটি ফ্ল্যাট থেকে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় অভিযুক্ত নারীসহ এএসআই মোহাম্মদ নুরুন্নবী মুন্নাকে অবরুদ্ধ করা হয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। অভিযুক্ত নুরুন্নবী মুন্না ডিএমপিতে এএসআই হিসেবে কর্মরত রয়েছেন এবং নারীটি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বাসিন্দা ও সৌদি আরব প্রবাসী মো. জহির শাহের স্ত্রী কাজী পারভীন আক্তার।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রবাসী জহির শাহ ২০১৮ সাল থেকে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। এর সুবাদে এবং এএসআই নুরুন্নবী মুন্না অতীতে আকবরশাহ থানায় কর্মরত থাকার সূত্রে ২০২১ সাল থেকে ওই প্রবাসীর বাসায় যাতায়াত শুরু করেন। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নুরুন্নবী ওই ফ্ল্যাটে গিয়ে রাতযাপন ও শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
এছাড়া আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ওই ফ্ল্যাট থেকে জহিরের বিদেশ থেকে পাঠানো ১৩ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১৫ লাখ টাকা সরিয়ে ফেলেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ২৬ লাখ টাকা। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসার পর প্রবাসীর ভাই বাদী হয়ে আকবরশাহ থানায় ব্যভিচার, মারধর, চুরি ও হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেনের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক দুজনকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আকবরশাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে এবং পরবর্তীতে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন