বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও সংশয়ের মধ্য দিয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীন স্পেশালরেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কণ্ঠভোটে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬ পাস হয়। ২০০৩ সালে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স সংশোধন করে র্যাব গঠন করা হয়েছিল। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে নানা বিতর্ক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মুখে অবশেষে বাহিনীটিকে বিলুপ্ত করার এই সিদ্ধান্ত এল।
এসআরবি বিলের প্রধান দিকসমূহ:
স্থানান্তর প্রক্রিয়া: বিলে র্যাবের বিদ্যমান জনবল, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, তহবিল, ব্যাংক হিসাব এবং সমস্ত রেকর্ডপত্র নতুন গঠিত এসআরবির কাছে হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
নেতৃত্ব ও কাঠামো: এসআরবির প্রধান হিসেবে থাকবেন পুলিশের অন্তত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। সরকারের প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিট গঠিত হবে।
কার্যপরিধি: সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সাইবার ক্রাইম, মানবপাচার এবং মাদক দমনের পাশাপাশি ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা এসআরবিকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহিনীটির নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে
জবাবদিহিতা: এসআরবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত
অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিরসনে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া:
বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ
সদস্যরা একে নতুন বোতলে পুরোনো মদ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের আশঙ্কা, কাগজে-কলমে র্যাবের নাম ও সাইনবোর্ড বদল হলেও এর আগের জনবল ও কাঠামো বহাল থাকায় এর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী র্যাবকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং নতুন আইনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক একটি বিশেষায়িত বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে।

শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও সংশয়ের মধ্য দিয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীন স্পেশালরেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে নতুন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে কণ্ঠভোটে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬ পাস হয়। ২০০৩ সালে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স সংশোধন করে র্যাব গঠন করা হয়েছিল। দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে নানা বিতর্ক ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মুখে অবশেষে বাহিনীটিকে বিলুপ্ত করার এই সিদ্ধান্ত এল।
এসআরবি বিলের প্রধান দিকসমূহ:
স্থানান্তর প্রক্রিয়া: বিলে র্যাবের বিদ্যমান জনবল, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, তহবিল, ব্যাংক হিসাব এবং সমস্ত রেকর্ডপত্র নতুন গঠিত এসআরবির কাছে হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।
নেতৃত্ব ও কাঠামো: এসআরবির প্রধান হিসেবে থাকবেন পুলিশের অন্তত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক। সরকারের প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদায়ন বা প্রেষণে নিয়োগের মাধ্যমে এই ইউনিট গঠিত হবে।
কার্যপরিধি: সন্ত্রাসবাদ, সংঘবদ্ধ ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ, সাইবার ক্রাইম, মানবপাচার এবং মাদক দমনের পাশাপাশি ফৌজদারি অপরাধ তদন্ত, তল্লাশি, গ্রেপ্তার ও জব্দের ক্ষমতা এসআরবিকে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাহিনীটির নিজস্ব হাজতখানা, মালখানা ও জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থাকবে
জবাবদিহিতা: এসআরবি সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত
অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ সংক্ষোভ নিরসনে অতিরিক্ত মহাপরিচালকের নেতৃত্বে একটি ‘অভিযোগ প্রতিকার কমিটি’ গঠনের বিধান রাখা হয়েছে।
বিরোধী দলের প্রতিক্রিয়া:
বিল পাসের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধী দলের সংসদ
সদস্যরা একে নতুন বোতলে পুরোনো মদ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের আশঙ্কা, কাগজে-কলমে র্যাবের নাম ও সাইনবোর্ড বদল হলেও এর আগের জনবল ও কাঠামো বহাল থাকায় এর কার্যকারিতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যাবে।
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ দাবি করেছেন, ক্ষমতাসীন দলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী র্যাবকে পুরোপুরি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং নতুন আইনের মাধ্যমে জবাবদিহিমূলক একটি বিশেষায়িত বাহিনী গড়ে তোলা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন