চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসে বর্তমানে তীব্র উত্তেজনা ও আন্দোলন বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদে এবং তাকে সসম্মানে পুনর্বহালের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলন
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের সন্তোষজনক কারণ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই সরকার অত্যন্ত অন্যায়ভাবে চুয়েটের ভিসি পদ থেকে ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করেছে। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—
বিনা কারণে একজন দক্ষ ও জনপ্রিয় উপাচার্যকে এভাবে অপসারণ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
অনতিবিলম্বে এই আদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনর্বহাল না করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে।
শিক্ষক সমিতির পূর্ণ সংহতি ও লিখিত বিবৃতি
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে একটি জোরালো লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে শিক্ষক নেতারা উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মতামতকে উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তারা অবিলম্বে উপাচার্য অপসারণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।
বর্তমান পরিস্থিতি
চুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এই যৌথ অবস্থান এবং লাগাতার আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাসে বর্তমানে তীব্র উত্তেজনা ও আন্দোলন বিরাজ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে অপসারণের প্রতিবাদে এবং তাকে সসম্মানে পুনর্বহালের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলন
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোনো ধরনের সন্তোষজনক কারণ বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই সরকার অত্যন্ত অন্যায়ভাবে চুয়েটের ভিসি পদ থেকে ড. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে অপসারণ করেছে। এটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন তারা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন—
বিনা কারণে একজন দক্ষ ও জনপ্রিয় উপাচার্যকে এভাবে অপসারণ করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
অনতিবিলম্বে এই আদেশ প্রত্যাহার করে তাকে পুনর্বহাল না করলে আন্দোলন আরও কঠোর করা হবে।
শিক্ষক সমিতির পূর্ণ সংহতি ও লিখিত বিবৃতি
শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলনের সঙ্গে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষণা করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতি। বর্তমান পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে একটি জোরালো লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে শিক্ষক নেতারা উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মতামতকে উপেক্ষা করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত ক্যাম্পাসের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে। তারা অবিলম্বে উপাচার্য অপসারণের সিদ্ধান্ত বাতিল করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানান।
বর্তমান পরিস্থিতি
চুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে বর্তমানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের এই যৌথ অবস্থান এবং লাগাতার আন্দোলনের মুখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন