চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যম হালিশহর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সানজু বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে আদর্শপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিসহ অভিযুক্ত স্বামী মোহাম্মদ জাবেদকে আটক করে
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সানজু বেগম ও তার স্বামী মোহাম্মদ জাবেদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জাবেদ স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার হুমকি দেন এবং পরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন।
নিহতের ভাই আকামাম জানান, ঘটনার সময় সানজু বেগমের ছেলে তাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় বোনকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। এসআরবি-৭ কর্তৃক ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছে থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রাম নগরীর মধ্যম হালিশহর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে সানজু বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে আদর্শপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা ছুরিসহ অভিযুক্ত স্বামী মোহাম্মদ জাবেদকে আটক করে
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সানজু বেগম ও তার স্বামী মোহাম্মদ জাবেদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জাবেদ স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার হুমকি দেন এবং পরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন।
নিহতের ভাই আকামাম জানান, ঘটনার সময় সানজু বেগমের ছেলে তাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় বোনকে উদ্ধার করেন। পরে দ্রুত তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। এসআরবি-৭ কর্তৃক ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।’
বন্দর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদারকি করছে থানা পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন