নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গুনিয়া:
শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করে নিকাহ নিবন্ধনের (কাজি) কাজ, পাসপোর্ট এজেন্সি পরিচালনা এবং সুদের কারবারে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রাঙ্গুনিয়ার সোনারগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার ও ভারপ্রাপ্ত সুপার কাজী মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকার সচেতন জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
অভিযোগের পাহাড়:
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মাদ্রাসার মতো একটি পবিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে থেকে কাজী মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার পরিবর্তে ব্যক্তিগত ব্যবসা ও অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি মাদ্রাসার চাকরির পাশাপাশি কাজীর দায়িত্ব পালন, পাসপোর্ট এজেন্সির ব্যবসা এবং সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
এসব অনিয়ম ও চরম অবহেলার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার মান তলানিতে ঠেকেছে। এর ফলশ্রুতিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে।
প্রশাসনের নিরবতায় হতাশা:
স্থানীয়রা আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত সুপারের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে এর আগে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। প্রশাসনের এমন দীর্ঘসূত্রিতায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং ধ্বংসের হাত থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে অবিলম্বে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গুনিয়া:
শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করে নিকাহ নিবন্ধনের (কাজি) কাজ, পাসপোর্ট এজেন্সি পরিচালনা এবং সুদের কারবারে লিপ্ত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রাঙ্গুনিয়ার সোনারগাঁও দাখিল মাদ্রাসার সহ-সুপার ও ভারপ্রাপ্ত সুপার কাজী মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
গতকাল বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) সকাল ১১টায় মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থী ও এলাকার সচেতন জনগণের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
অভিযোগের পাহাড়:
মানববন্ধনে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, মাদ্রাসার মতো একটি পবিত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল পদে থেকে কাজী মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার পরিবর্তে ব্যক্তিগত ব্যবসা ও অন্যান্য অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়েছেন। তিনি মাদ্রাসার চাকরির পাশাপাশি কাজীর দায়িত্ব পালন, পাসপোর্ট এজেন্সির ব্যবসা এবং সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
এসব অনিয়ম ও চরম অবহেলার কারণে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থার মান তলানিতে ঠেকেছে। এর ফলশ্রুতিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র ২ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে, যা এলাকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে।
প্রশাসনের নিরবতায় হতাশা:
স্থানীয়রা আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত সুপারের এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে এর আগে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। প্রশাসনের এমন দীর্ঘসূত্রিতায় তীব্র হতাশা প্রকাশ করেন এলাকাবাসী।
মাদ্রাসার শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং ধ্বংসের হাত থেকে প্রতিষ্ঠানটিকে বাঁচাতে অবিলম্বে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত সুপারের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত কঠোর আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন