টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে বর্তমানে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শহরের সাথে বাঁশখালীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাটও তলিয়ে গেছে।
শঙ্খ নদের তীর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে উপকূলীয় বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খানখানাবাদ এলাকার বেড়িবাঁধের একাংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া ছনুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে স্লুইসগেটে মাছ ধরার জাল পেতে রাখায় পানি সরতে পারছে না, ফলে জলাবদ্ধতা তীব্র রূপ নিয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে বন্যা দুর্গত বহু এলাকায় ২-৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মোবাইল চার্জ করতে না পারায় অনেকেই পরিবার ও স্বজনদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
বন্যাকবলিত এলাকায় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশুখাদ্য ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ঘরবাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় অনেক পরিবার রান্নার সুযোগও পাচ্ছে না।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে এবং ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি চলছে।
পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসেরও উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে, তাই পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও জোয়ারের পানিতে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে বর্তমানে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।বৈলছড়ি এলাকায় চট্টগ্রাম-বাঁশখালী প্রধান সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চট্টগ্রাম শহরের সাথে বাঁশখালীর সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাটও তলিয়ে গেছে।
শঙ্খ নদের তীর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে উপকূলীয় বেড়িবাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খানখানাবাদ এলাকার বেড়িবাঁধের একাংশ ধসে পড়েছে। এছাড়া ছনুয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে স্লুইসগেটে মাছ ধরার জাল পেতে রাখায় পানি সরতে পারছে না, ফলে জলাবদ্ধতা তীব্র রূপ নিয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে বন্যা দুর্গত বহু এলাকায় ২-৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মোবাইল চার্জ করতে না পারায় অনেকেই পরিবার ও স্বজনদের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন।
বন্যাকবলিত এলাকায় শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, শিশুখাদ্য ও প্রয়োজনীয় ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ঘরবাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় অনেক পরিবার রান্নার সুযোগও পাচ্ছে না।
বাঁশখালী ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষদের উদ্ধার করে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে এবং ত্রাণ বিতরণের প্রস্তুতি চলছে।
পাহাড়ি ঢল ও অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসেরও উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে, তাই পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন