টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় এবং তীব্র গতিতে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
চন্দনাইশের আজকের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো:
পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শঙ্খ নদীর পানি উপচে ধোবাছড়ী ইউনিয়ন, দোহাজারী পৌরসভা, বরমা ও বৈলতলী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্পট দিয়ে তীব্র গতিতে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। নিম্নাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।
বন্যার পানিতে চন্দনাইশ উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলো পুরোপুরি তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে দোহাজারী-লালুটিয়া সড়কের ওপর দিয়ে প্রায় ৩ ফুট উচ্চতায় বন্যা ও ঢলের পানি প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে এই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যান্য গ্রামীণ সড়কগুলোও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্থবির হয়ে পড়েছে।
অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে চন্দনাইশের শত শত হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার ৫০টিরও বেশি মৎস্য প্রজেক্ট ও বাণিজ্যিক পুকুর ডুবে গিয়ে লাখ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে, যা স্থানীয় খামারিদের বড় লোকসানের মুখে ফেলেছে।
বন্যার পানি বসতবাড়িতে ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে বিশেষ করে প্রসূতি নারী, বৃদ্ধ ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং বন্যাকবলিতদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রস্তুতি চলছে।
বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে। শঙ্খ নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় এবং তীব্র গতিতে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করায় উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ এখন পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।
চন্দনাইশের আজকের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও গুরুত্বপূর্ণ আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো:
পাহাড়ি ঢলের তোড়ে শঙ্খ নদীর পানি উপচে ধোবাছড়ী ইউনিয়ন, দোহাজারী পৌরসভা, বরমা ও বৈলতলী ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি স্পট দিয়ে তীব্র গতিতে লোকালয়ে পানি ঢুকছে। নিম্নাঞ্চলের বহু ঘরবাড়ি ইতিমধ্যে প্লাবিত হয়েছে।
বন্যার পানিতে চন্দনাইশ উপজেলার অভ্যন্তরীণ ও গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলো পুরোপুরি তলিয়ে গেছে। বিশেষ করে দোহাজারী-লালুটিয়া সড়কের ওপর দিয়ে প্রায় ৩ ফুট উচ্চতায় বন্যা ও ঢলের পানি প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে এই রুটে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যান্য গ্রামীণ সড়কগুলোও চরম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত স্থবির হয়ে পড়েছে।
অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে চন্দনাইশের শত শত হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া উপজেলার ৫০টিরও বেশি মৎস্য প্রজেক্ট ও বাণিজ্যিক পুকুর ডুবে গিয়ে লাখ লাখ টাকার মাছ ভেসে গেছে, যা স্থানীয় খামারিদের বড় লোকসানের মুখে ফেলেছে।
বন্যার পানি বসতবাড়িতে ঢুকে পড়ায় রান্নাবান্না ও বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে বিশেষ করে প্রসূতি নারী, বৃদ্ধ ও গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং বন্যাকবলিতদের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তার প্রস্তুতি চলছে।
বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপনার মতামত লিখুন