চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দি ও চরম ভোগান্তিতে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান আযহারী।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পানিবন্দি অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোর মাঝে তাঁর উদ্যোগে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী, শুকনা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে।
সৈয়দ হাসান আযহারী নিজে উপস্থিত থেকে পাঁচলাইশের বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু পয়েন্টে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেন।
ত্রাণ বিতরণকালে তিনি বলেন:
"ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের বহু মানুষ এখন পানিবন্দি ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই বিপদের দিনে সামর্থ্যবান সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে উপদ্রুত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এটি আমাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।"
হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া এই জলাবদ্ধতায় যারা কর্মহীন ও খাদ্য সংকটে পড়েছিলেন, এই মানবিক সহায়তা তাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং সংকটের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য সৈয়দ হাসান আযহারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং পানি সম্পূর্ণ নেমে না যাওয়া পর্যন্ত তাঁর এই মানবিক কার্যক্রম ও খাদ্যসহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের পাঁচলাইশে ভারী বর্ষণ ও জলাবদ্ধতায় সৃষ্ট বন্যায় পানিবন্দি ও চরম ভোগান্তিতে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ হাসান আযহারী।
সম্প্রতি চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডে পানিবন্দি অসহায় ও দুস্থ পরিবারগুলোর মাঝে তাঁর উদ্যোগে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী, শুকনা খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়েছে।
সৈয়দ হাসান আযহারী নিজে উপস্থিত থেকে পাঁচলাইশের বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখেন এবং পানিবন্দি মানুষের খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি বেশ কিছু পয়েন্টে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে নিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেন।
ত্রাণ বিতরণকালে তিনি বলেন:
"ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের বহু মানুষ এখন পানিবন্দি ও মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এই বিপদের দিনে সামর্থ্যবান সবার উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে উপদ্রুত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো। এটি আমাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।"
হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া এই জলাবদ্ধতায় যারা কর্মহীন ও খাদ্য সংকটে পড়েছিলেন, এই মানবিক সহায়তা তাদের মাঝে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং সংকটের সময়ে পাশে দাঁড়ানোর জন্য সৈয়দ হাসান আযহারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
দুর্যোগ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এবং পানি সম্পূর্ণ নেমে না যাওয়া পর্যন্ত তাঁর এই মানবিক কার্যক্রম ও খাদ্যসহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন