রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে ভেসে আসা লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে তীব্র স্রোতের তোড়ে তলিয়ে গেছেন সুলাইমান (২২) নামের এক তরুণ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিগত কয়েকদিন ধরে কর্ণফুলী নদীতে পানির চাপ ও স্রোত প্রবল রূপ নিয়েছে। পাহাড়ি ঢলের সাথে নদী দিয়ে প্রচুর লাকড়ি ও কাঠ ভেসে আসছিল। আজ (১১ জুলাই) সকালে সরফভাটা এলাকায় নদীর পাড়ে অন্যান্যদের সাথে সুলাইমানও সেই ভাসমান লাকড়ি সংগ্রহ করতে যান। একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতের মুখে পড়ে তিনি আর নিজেকে সামলাতে পারেননি এবং মুহূর্তের মধ্যেই পানির তোড়ে তলিয়ে যান।
তার নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে খবর দেওয়া হয় রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ তরুণকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের টিম এবং স্থানীয় ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। তবে নদীতে পানির তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণিস্রোত থাকায় উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সুলাইমানের কোনো সন্ধান মেলেনি।
বর্ষার এই সময়ে পাহাড়ি ঢলের কারণে নদী ও খালের স্রোত অত্যন্ত বিপজ্জনক থাকে। তাই এই পরিস্থিতিতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের ও বিশেষ করে তরুণদের লাকড়ি সংগ্রহ বা গোসল করতে নামার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুলাই ২০২৬
রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা এলাকায় কর্ণফুলী নদীতে ভেসে আসা লাকড়ি সংগ্রহ করতে গিয়ে তীব্র স্রোতের তোড়ে তলিয়ে গেছেন সুলাইমান (২২) নামের এক তরুণ।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বিগত কয়েকদিন ধরে কর্ণফুলী নদীতে পানির চাপ ও স্রোত প্রবল রূপ নিয়েছে। পাহাড়ি ঢলের সাথে নদী দিয়ে প্রচুর লাকড়ি ও কাঠ ভেসে আসছিল। আজ (১১ জুলাই) সকালে সরফভাটা এলাকায় নদীর পাড়ে অন্যান্যদের সাথে সুলাইমানও সেই ভাসমান লাকড়ি সংগ্রহ করতে যান। একপর্যায়ে নদীর প্রবল স্রোতের মুখে পড়ে তিনি আর নিজেকে সামলাতে পারেননি এবং মুহূর্তের মধ্যেই পানির তোড়ে তলিয়ে যান।
তার নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় এলাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে খবর দেওয়া হয় রাঙ্গুনিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সকে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নিখোঁজ তরুণকে উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিসের টিম এবং স্থানীয় ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। তবে নদীতে পানির তীব্র স্রোত ও ঘূর্ণিস্রোত থাকায় উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সুলাইমানের কোনো সন্ধান মেলেনি।
বর্ষার এই সময়ে পাহাড়ি ঢলের কারণে নদী ও খালের স্রোত অত্যন্ত বিপজ্জনক থাকে। তাই এই পরিস্থিতিতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের ও বিশেষ করে তরুণদের লাকড়ি সংগ্রহ বা গোসল করতে নামার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করার অনুরোধ জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন