নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সুফিবাদী মানবিক সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ। দুর্গত এলাকার মানুষের তীব্র খাদ্য ও পানির সংকট দূর করতে ভালোবাসার উপহার সামগ্রী (ত্রাণ) নিয়ে আজ সকাল থেকেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির একঝাঁক ডেডিকেটেড স্বেচ্ছাসেবক ভাই।
উপজেলাগুলোতে বিশেষ জোর: চট্টগ্রামের দক্ষিণ ও উত্তর জনপদের বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোর (যেমন: বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীসহ অন্যান্য প্লাবিত অঞ্চল) প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাগুলোকে টার্গেট করে এই উপহার সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব চরাঞ্চল ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকা সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে নৌকা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভালোবাসার উপহারে যা থাকছে: বন্যাদুর্গতদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে প্রতিটি উপহারের প্যাকেটে দেওয়া হচ্ছে:
বুক সমান পানি মাড়িয়ে ছুটে চলা স্বেচ্ছাসেবক: প্রতিকূল আবহাওয়া, পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোত এবং বুক সমান পানি উপেক্ষা করে গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবক ভাইরা প্রতিটি অসহায় পরিবারের দোরগোড়ায় এই ভালোবাসার উপহার পৌঁছে দিতে মাঠে নেমেছেন। যেকোনো জাতীয় দুর্যোগে ও মানবিক সংকটে গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের এমন নিঃস্বার্থ ও সাহসী ভূমিকা বরাবরের মতোই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আহ্বান: "চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার লাখ লাখ মানুষ আজ পানিবন্দী ও অসহায়। এই ক্রান্তিলগ্নে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক ভাইরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গত এলাকায় যাচ্ছেন। আমরা সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন এই উপহার সামগ্রীগুলো সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়।"
আল্লাহ তাআলা গাউসিয়া কমিটির সকল সেচ্ছাসেবী ভাইদের এই অক্লান্ত পরিশ্রম ও মানবিক কোরবানি কবুল করুন এবং সবাইকে নিরাপদে রাখুন। আমীন।

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সুফিবাদী মানবিক সংগঠন গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ। দুর্গত এলাকার মানুষের তীব্র খাদ্য ও পানির সংকট দূর করতে ভালোবাসার উপহার সামগ্রী (ত্রাণ) নিয়ে আজ সকাল থেকেই চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির একঝাঁক ডেডিকেটেড স্বেচ্ছাসেবক ভাই।
উপজেলাগুলোতে বিশেষ জোর: চট্টগ্রামের দক্ষিণ ও উত্তর জনপদের বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোর (যেমন: বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীসহ অন্যান্য প্লাবিত অঞ্চল) প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকাগুলোকে টার্গেট করে এই উপহার সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব চরাঞ্চল ও বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকা সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, সেখানে নৌকা ও বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ত্রাণ পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভালোবাসার উপহারে যা থাকছে: বন্যাদুর্গতদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতে প্রতিটি উপহারের প্যাকেটে দেওয়া হচ্ছে:
বুক সমান পানি মাড়িয়ে ছুটে চলা স্বেচ্ছাসেবক: প্রতিকূল আবহাওয়া, পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোত এবং বুক সমান পানি উপেক্ষা করে গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবক ভাইরা প্রতিটি অসহায় পরিবারের দোরগোড়ায় এই ভালোবাসার উপহার পৌঁছে দিতে মাঠে নেমেছেন। যেকোনো জাতীয় দুর্যোগে ও মানবিক সংকটে গাউসিয়া কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের এমন নিঃস্বার্থ ও সাহসী ভূমিকা বরাবরের মতোই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে।
কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের আহ্বান: "চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার লাখ লাখ মানুষ আজ পানিবন্দী ও অসহায়। এই ক্রান্তিলগ্নে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানী ও মানবিক দায়িত্ব। আমাদের স্বেচ্ছাসেবক ভাইরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গত এলাকায় যাচ্ছেন। আমরা সকলের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন এই উপহার সামগ্রীগুলো সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পৌঁছে দেওয়া যায়।"
আল্লাহ তাআলা গাউসিয়া কমিটির সকল সেচ্ছাসেবী ভাইদের এই অক্লান্ত পরিশ্রম ও মানবিক কোরবানি কবুল করুন এবং সবাইকে নিরাপদে রাখুন। আমীন।

আপনার মতামত লিখুন