নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গুনিয়া :
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ভূমিরখীল এলাকায় কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী। গতকাল ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় অবৈধ বালুর স্তূপ ও ড্রেজার দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি থামিয়ে নেমে যান এবং এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সরফভাটা ভূমিরখীল এলাকার একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার বসিয়ে কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিচ্ছিল।
গতকাল একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর দৃষ্টিগোচর হয় নদীর পাড়ে বিশাল বালুর স্তূপ এবং সচল ড্রেজার মেশিন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি গাড়ি থামিয়ে সেখানে নেমে যান এবং পরিস্থিতি সশরীরে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন: "নদী ও পরিবেশ ধ্বংসকারী এই চক্রের কোনো রেহাই নেই। রাঙ্গুনিয়ার সাধারণ মানুষের সম্পদ ও পরিবেশ নষ্ট করে যারা অবৈধ বালুর ব্যবসা করছে, তাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হবে।"
তিনি অবিলম্বে অবৈধ ড্রেজার জব্দ করার এবং বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করার জন্য রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে কড়া নির্দেশ দেন।
সাংসদের এই ঝটিকা অভিযানের পর স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে তাদের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। এমপির এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে এলাকাটি এখন নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ সদস্যের নির্দেশনার পর তারা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ও ড্রেজার জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গুনিয়া :
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ভূমিরখীল এলাকায় কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন চট্টগ্রাম-৭ আসনের সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী। গতকাল ওই এলাকা অতিক্রম করার সময় অবৈধ বালুর স্তূপ ও ড্রেজার দেখে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে গাড়ি থামিয়ে নেমে যান এবং এ বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সরফভাটা ভূমিরখীল এলাকার একটি চক্র প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ড্রেজার বসিয়ে কর্ণফুলী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিচ্ছিল।
গতকাল একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরীর দৃষ্টিগোচর হয় নদীর পাড়ে বিশাল বালুর স্তূপ এবং সচল ড্রেজার মেশিন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি গাড়ি থামিয়ে সেখানে নেমে যান এবং পরিস্থিতি সশরীরে পর্যবেক্ষণ করেন।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে সংসদ সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেন: "নদী ও পরিবেশ ধ্বংসকারী এই চক্রের কোনো রেহাই নেই। রাঙ্গুনিয়ার সাধারণ মানুষের সম্পদ ও পরিবেশ নষ্ট করে যারা অবৈধ বালুর ব্যবসা করছে, তাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হবে।"
তিনি অবিলম্বে অবৈধ ড্রেজার জব্দ করার এবং বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার করার জন্য রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে কড়া নির্দেশ দেন।
সাংসদের এই ঝটিকা অভিযানের পর স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে তাদের ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে ছিল। এমপির এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে এলাকাটি এখন নদীভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
এদিকে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ সদস্যের নির্দেশনার পর তারা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু উত্তোলনের সরঞ্জাম ও ড্রেজার জব্দের প্রক্রিয়া শুরু করেছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

আপনার মতামত লিখুন