ডালাস, ১৪ জুলাই ২০২৬: বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স এবং স্পেন। টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে (এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম) ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধের ২২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়েছেন তারকা ফরোয়ার্ড মিকেল ওবেরজাবাল (Mikel Oyarzabal)।
পেনাল্টি ও স্পেনের লিড
ম্যাচের ২০তম মিনিটে ফ্রান্সের ডি-বক্সের ভেতর ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করে বসেন। দিনিয়ের অসতর্ক হাই বুট স্প্যানিশ তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালকে আঘাত করলে রেফারি কোনো দ্বিধা ছাড়াই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে রেফারির এই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) রিভিউতে পেনাল্টির সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
পেনাল্টি শট নিতে আসেন অভিজ্ঞ মিকেল ওবেরজাবাল। ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান সঠিক দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও ওবেরজাবালের জোরালো এবং নিখুঁত শটটি জালে জড়ানো থেকে আটকাতে পারেননি। এই গোলের মাধ্যমে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লা রোহারা।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের শুরু
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ফরাসি উইঙ্গার ব্রাদলে বারকোলা এবং উসমান দেম্বেলে স্পেনের রক্ষণভাগে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করলেও লাপোর্তে ও কিউবারসির ডিফেন্স দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে দেম্বেলের পাস থেকে এমবাপ্পে ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে চলে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমোন বক্সের বাইরে এসে দক্ষতার সাথে বিপদ এড়ান।
অন্যদিকে স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণ রদ্রি এবং দানি ওলমো একের পর এক আক্রমণে ফরাসি ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন। ম্যাচের ৯ মিনিটে ওলমোকে ফাউল করার অপরাধে হলুদ কার্ড দেখেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিওট।
ম্যাচের লাইনআপ
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত আপডেট (প্রথমার্ধ):
স্পেন কি এই লিড ধরে রেখে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারবে, নাকি কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স প্রথমার্ধের এই ধাক্কা কাটিয়ে ম্যাচে ফিরবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬
ডালাস, ১৪ জুলাই ২০২৬: বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে বিশ্ব ফুটবলের দুই পরাশক্তি ফ্রান্স এবং স্পেন। টেক্সাসের ডালাস স্টেডিয়ামে (এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম) ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শুরু হয়। তবে ম্যাচের প্রথমার্ধের ২২তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে স্পেনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়েছেন তারকা ফরোয়ার্ড মিকেল ওবেরজাবাল (Mikel Oyarzabal)।
পেনাল্টি ও স্পেনের লিড
ম্যাচের ২০তম মিনিটে ফ্রান্সের ডি-বক্সের ভেতর ডিফেন্ডার লুকাস দিনিয়ে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ভুল করে বসেন। দিনিয়ের অসতর্ক হাই বুট স্প্যানিশ তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালকে আঘাত করলে রেফারি কোনো দ্বিধা ছাড়াই পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে রেফারির এই সিদ্ধান্তের কড়া প্রতিবাদ জানালেও ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) রিভিউতে পেনাল্টির সিদ্ধান্তই বহাল থাকে।
পেনাল্টি শট নিতে আসেন অভিজ্ঞ মিকেল ওবেরজাবাল। ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান সঠিক দিকে ঝাঁপিয়ে পড়লেও ওবেরজাবালের জোরালো এবং নিখুঁত শটটি জালে জড়ানো থেকে আটকাতে পারেননি। এই গোলের মাধ্যমে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লা রোহারা।
আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের শুরু
ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজার পর থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে। ফরাসি উইঙ্গার ব্রাদলে বারকোলা এবং উসমান দেম্বেলে স্পেনের রক্ষণভাগে ফাটল ধরানোর চেষ্টা করলেও লাপোর্তে ও কিউবারসির ডিফেন্স দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ম্যাচের ১৬তম মিনিটে দেম্বেলের পাস থেকে এমবাপ্পে ওয়ান-অন-ওয়ান পজিশনে চলে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন, তবে স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমোন বক্সের বাইরে এসে দক্ষতার সাথে বিপদ এড়ান।
অন্যদিকে স্পেনের মাঝমাঠের প্রাণ রদ্রি এবং দানি ওলমো একের পর এক আক্রমণে ফরাসি ডিফেন্সকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন। ম্যাচের ৯ মিনিটে ওলমোকে ফাউল করার অপরাধে হলুদ কার্ড দেখেন ফ্রান্সের মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিওট।
ম্যাচের লাইনআপ
ম্যাচের সংক্ষিপ্ত আপডেট (প্রথমার্ধ):
স্পেন কি এই লিড ধরে রেখে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে পারবে, নাকি কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স প্রথমার্ধের এই ধাক্কা কাটিয়ে ম্যাচে ফিরবে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন