নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী 'পোমরা-বেতাগী আমানউল্লাহ সড়ক' এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে পুরো সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বর্তমানে সড়কটি যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্যও প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
দৈনিক ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সড়কটি ওই এলাকার অন্যতম প্রধান একটি যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কটির বেহাল দশার কারণে এখন এই পথে যাতায়াত করা যেন এক চরম শাস্তির নাম। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তগুলোতে পানি জমে ডোবার আকার ধারণ করে, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহনের পার্টস, আর এই সুযোগে চালকেরাও গুণছেন অতিরিক্ত ভাড়া।
জনসাধারণের বক্তব্য ও দাবি
সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে।
এলাকাবাসীর পক্ষে এক ভুক্তভোগী জানান, "এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা এখন আমাদের জন্য একটা দুঃস্বপ্ন। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তি সহ্য করে চলাচল করছে। আমাদের আর কোনো বড় দাবি নেই, সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত এই ভাঙা সড়কটি সম্পূর্ণ সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে তোলে।"
জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান
এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সচলতা বজায় রাখতে সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলজিইডি (LGED) সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আকুল আবেদন, জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সড়কটির স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হোক।
ভিডিও লিংক,,,,

সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার ঐতিহ্যবাহী 'পোমরা-বেতাগী আমানউল্লাহ সড়ক' এখন সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে পুরো সড়কজুড়ে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বর্তমানে সড়কটি যানবাহন তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্যও প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর ফলে এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
দৈনিক ২০ হাজার মানুষের দুর্ভোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই সড়কটি ওই এলাকার অন্যতম প্রধান একটি যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী এবং জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীসহ প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সড়কটির বেহাল দশার কারণে এখন এই পথে যাতায়াত করা যেন এক চরম শাস্তির নাম। সামান্য বৃষ্টি হলেই গর্তগুলোতে পানি জমে ডোবার আকার ধারণ করে, যার ফলে প্রায়ই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিকল হয়ে পড়ছে যানবাহনের পার্টস, আর এই সুযোগে চালকেরাও গুণছেন অতিরিক্ত ভাড়া।
জনসাধারণের বক্তব্য ও দাবি
সড়কের এই কঙ্কালসার অবস্থার কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে।
এলাকাবাসীর পক্ষে এক ভুক্তভোগী জানান, "এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা এখন আমাদের জন্য একটা দুঃস্বপ্ন। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তি সহ্য করে চলাচল করছে। আমাদের আর কোনো বড় দাবি নেই, সাধারণ মানুষের একটাই দাবি—সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যেন অতি দ্রুত এই ভাঙা সড়কটি সম্পূর্ণ সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করে তোলে।"
জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান
এলাকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক সচলতা বজায় রাখতে সড়কটির গুরুত্ব অপরিসীম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং এলজিইডি (LGED) সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষের আকুল আবেদন, জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সড়কটির স্থায়ী সংস্কার কাজ শুরু করা হোক।
ভিডিও লিংক,,,,

আপনার মতামত লিখুন