কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার ২নং দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের একটি সেতুর নিচে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানি আটকে মাছ শিকারের অভিযোগের পর তা অপসারণে দ্রুত উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবৈধ বাঁধের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। এতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং কৃষিজমিতে পানি জমে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ধরে এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন।
খবর পেয়ে ২নং দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আলাউদ্দিন আল আজাদ চলমান সালিশি কার্যক্রম শেষ করে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ অপসারণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে এবং এলাকায় জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তারা এ পদক্ষেপকে সময়োপযোগী ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কেউ অবৈধভাবে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি, আইনগত ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার ২নং দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের একটি সেতুর নিচে অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করে পানি আটকে মাছ শিকারের অভিযোগের পর তা অপসারণে দ্রুত উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অবৈধ বাঁধের কারণে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। এতে আশপাশের বেশ কয়েকটি বসতবাড়ি পানিবন্দি হয়ে পড়ে এবং কৃষিজমিতে পানি জমে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন ধরে এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছিলেন।
খবর পেয়ে ২নং দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ আলাউদ্দিন আল আজাদ চলমান সালিশি কার্যক্রম শেষ করে ইউপি সদস্য ও গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে অবৈধভাবে নির্মিত বাঁধ অপসারণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের ফলে পানি নিষ্কাশনের পথ উন্মুক্ত হয়েছে এবং এলাকায় জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তারা এ পদক্ষেপকে সময়োপযোগী ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, ভবিষ্যতে যাতে ব্যক্তিস্বার্থে কেউ অবৈধভাবে পানি প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিয়মিত নজরদারি, আইনগত ব্যবস্থা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন