ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো আইনি বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর করা একটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া বা তাঁর কার্যক্রমে বাধা দিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আবেদন করেছিলেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য: আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, হাইকোর্ট ইতিমধ্যে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন। যেহেতু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে, তাই নতুন করে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন, সরোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে যে শপথ নিয়েছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তা আইনগতভাবেই অব্যাহত থাকবে।
প্রার্থিতা ও আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) শুরুতে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করেছিল। পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ের পর ইসি তাঁর বিজয়ের গেজেট প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
আইনজীবীদের মতে, হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে নিয়মিত আপিল না করা পর্যন্ত এবং কোনো স্থগিতাদেশ না আসা পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে কোনো বাধা নেই।
চট্টগ্রাম-২ আসনের এমপি সরোয়ার আলমগীরের দায়িত্ব পালনে কোনো বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসন থেকে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনে কোনো আইনি বাধা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বেঞ্চে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর করা একটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সংসদ অধিবেশনে যোগ দেওয়া বা তাঁর কার্যক্রমে বাধা দিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন আপিল বিভাগে একটি অন্তর্বর্তীকালীন আবেদন করেছিলেন। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ শুনানি শেষে আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য: আদেশের পর অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, হাইকোর্ট ইতিমধ্যে এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন। যেহেতু পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে, তাই নতুন করে অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি আরও বলেন, সরোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে যে শপথ নিয়েছেন এবং দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তা আইনগতভাবেই অব্যাহত থাকবে।
প্রার্থিতা ও আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঋণখেলাপির অভিযোগকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) শুরুতে সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়ন বাতিল করেছিল। পরবর্তীতে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তাঁর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ের পর ইসি তাঁর বিজয়ের গেজেট প্রকাশ করে এবং পরবর্তীতে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
আইনজীবীদের মতে, হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে নিয়মিত আপিল না করা পর্যন্ত এবং কোনো স্থগিতাদেশ না আসা পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে কোনো বাধা নেই।
আপনার মতামত লিখুন