খেলাধুলা ডেস্ক ||
শেষ হলো ব্রাজিল ফুটবলের এক সোনালী অধ্যায়ের। দীর্ঘ ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার জুনিয়র। আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। আর এর মধ্য দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলা দীর্ঘদিনের সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।
কোপা সুদআমেরিকানায় ভেনেজুয়েলার ক্লাব ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সান্তোসের হয়ে মাঠ মাতানোর পর নিজের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান নেইমার।
চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল। আর সেই ম্যাচটিই মূলত নেইমারের ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় লেখা রবে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও দেশের জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই এই তারকা ফরোয়ার্ডের। নেইমারের মতে, সেলেসাওদের হয়ে মাঠের লড়াইয়ে তিনি কখনোই নিজেকে উজাড় করে দিতে কার্পণ্য করেননি।
আবেগঘন কণ্ঠে নেইমার বলেন, "ব্রাজিলের হয়ে আমার পথচলা এখানেই শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অনেক সুখের মুহূর্ত পেয়েছি। দেশের জন্য আমি আমার রক্ত, আমার জীবন—সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। হলুদ জার্সির মর্যাদার জন্য সবসময় লড়েছি। কিন্তু এখন আর সেটা (আন্তর্জাতিক ফুটবল) চালিয়ে যেতে চাই না।"
বিদায়ের আগে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে দিয়ে গেছেন নেইমার। দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জুতো জোড়া তুলে রাখলেন তিনি। পাঁচবারের বিশ্বজয়ীদের হয়ে একাধিক বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিকের মঞ্চে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই পোস্টার বয়।
ফিরে দেখা নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার:
অভিষেক: ২০১০ সালের ১০ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে। (ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জয়ের পথে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেছিলেন তিনি)।
মোট ম্যাচ: ১৩১টি।
গোল সংখ্যা: ৮০টি (ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ)।
অ্যাসিস্ট: সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল।
হলুদ জার্সিতে নেইমারের এই রাজকীয় পথচলা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুক্তোঝরা ড্রিবলিং আর জাদুকরী স্কিলের 'লাস্ট রোমান্টিক' ফুটবলারকে মিস করবে পুরো বিশ্ব।

বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
খেলাধুলা ডেস্ক ||
শেষ হলো ব্রাজিল ফুটবলের এক সোনালী অধ্যায়ের। দীর্ঘ ১৬ বছরেরও বেশি সময়ের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন নেইমার জুনিয়র। আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ এই গোলদাতা। আর এর মধ্য দিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর তাঁর ভবিষ্যৎ নিয়ে চলা দীর্ঘদিনের সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটল।
কোপা সুদআমেরিকানায় ভেনেজুয়েলার ক্লাব ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালকে ৪-২ গোলে হারিয়ে সান্তোসের হয়ে মাঠ মাতানোর পর নিজের এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানান নেইমার।
চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ব্রাজিল। আর সেই ম্যাচটিই মূলত নেইমারের ক্যারিয়ারের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবে ইতিহাসের পাতায় লেখা রবে।
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও দেশের জার্সিতে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই এই তারকা ফরোয়ার্ডের। নেইমারের মতে, সেলেসাওদের হয়ে মাঠের লড়াইয়ে তিনি কখনোই নিজেকে উজাড় করে দিতে কার্পণ্য করেননি।
আবেগঘন কণ্ঠে নেইমার বলেন, "ব্রাজিলের হয়ে আমার পথচলা এখানেই শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অনেক সুখের মুহূর্ত পেয়েছি। দেশের জন্য আমি আমার রক্ত, আমার জীবন—সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। হলুদ জার্সির মর্যাদার জন্য সবসময় লড়েছি। কিন্তু এখন আর সেটা (আন্তর্জাতিক ফুটবল) চালিয়ে যেতে চাই না।"
বিদায়ের আগে ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম অমর করে দিয়ে গেছেন নেইমার। দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জুতো জোড়া তুলে রাখলেন তিনি। পাঁচবারের বিশ্বজয়ীদের হয়ে একাধিক বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অলিম্পিকের মঞ্চে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই পোস্টার বয়।
ফিরে দেখা নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার:
অভিষেক: ২০১০ সালের ১০ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে। (ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জয়ের পথে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেছিলেন তিনি)।
মোট ম্যাচ: ১৩১টি।
গোল সংখ্যা: ৮০টি (ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ)।
অ্যাসিস্ট: সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৯টি গোল।
হলুদ জার্সিতে নেইমারের এই রাজকীয় পথচলা ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুক্তোঝরা ড্রিবলিং আর জাদুকরী স্কিলের 'লাস্ট রোমান্টিক' ফুটবলারকে মিস করবে পুরো বিশ্ব।

আপনার মতামত লিখুন