প্রতি বছরের মতো এবারও আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকার সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে পীর সাবির শাহের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুছ ও ঈদে মিলাদুন্নবীর আনন্দ র্যালি বের হয়।
র্যালিটি তাজমহল রোড, কৃষি মার্কেট, রিং রোড, শিয়া মসজিদ, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক, মিরপুর রোড, আসাদগেট, কলেজগেট ও শ্যামলী হয়ে শ্যামলী ক্লাব মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
জুলুছ শেষে শ্যামলী ক্লাব মাঠে আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ও সভাপতির আসন অলংকৃত করেন হযরত আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ পীর সাবির শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা হুজুর কেবলা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশিম শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী) ও সৈয়্যদ আকিব আহমদ শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।
পীর সাবির শাহ্ বলেন, রাসূল (সা.) সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত এবং আল্লাহ প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আল্লাহর রহমত লাভের কারণে আনন্দ উদযাপন করাও আল্লাহর নির্দেশ। তাই কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রিয় নবীজি (সা.)-এর শুভাগমনের দিন শরিয়তসম্মতভাবে আনন্দ উদযাপন করা হয় এবং জশনে জুলুছ ও মাহফিলের আয়োজন করা হয়
তিনি আরও বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শই শান্তি ও মুক্তির একমাত্র পথ।
মাহফিলে ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন আল-আজহারীসহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম। মাহফিল পরিচালনা করেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মুফতি আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক।
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
জশনে জুলুছ ও মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দীন সাকের, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দিন সবুর, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন এবং আঞ্জুমানের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার।
এ ছাড়া ঢাকা আঞ্জুমানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বুলবুল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গোলাম কিবরিয়া, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি আলহাজ্ব শোয়েবুজ্জামান চৌধুরী তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হযরত আলী, প্রচার ও সম্পাদক মো. আবুল কাশেম, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকার সেক্রেটারি মোহাম্মদ কাশেমসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম, ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক, শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রতি বছরের মতো এবারও আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট, ঢাকার ব্যবস্থাপনায় এবং গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকার সহযোগিতায় এ আয়োজন করা হয়। সকাল ১০টায় মোহাম্মদপুরের কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে পীর সাবির শাহের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য জশনে জুলুছ ও ঈদে মিলাদুন্নবীর আনন্দ র্যালি বের হয়।
র্যালিটি তাজমহল রোড, কৃষি মার্কেট, রিং রোড, শিয়া মসজিদ, মোহাম্মদপুর বাসস্ট্যান্ড, সাত মসজিদ রোড, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়ক, মিরপুর রোড, আসাদগেট, কলেজগেট ও শ্যামলী হয়ে শ্যামলী ক্লাব মাঠে গিয়ে শেষ হয়।
জুলুছ শেষে শ্যামলী ক্লাব মাঠে আয়োজিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ও সভাপতির আসন অলংকৃত করেন হযরত আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ পীর সাবির শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহজাদা হুজুর কেবলা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাশিম শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী) ও সৈয়্যদ আকিব আহমদ শাহ (মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।
পীর সাবির শাহ্ বলেন, রাসূল (সা.) সমগ্র সৃষ্টির জন্য রহমত এবং আল্লাহ প্রদত্ত শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। আল্লাহর রহমত লাভের কারণে আনন্দ উদযাপন করাও আল্লাহর নির্দেশ। তাই কোরআনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রিয় নবীজি (সা.)-এর শুভাগমনের দিন শরিয়তসম্মতভাবে আনন্দ উদযাপন করা হয় এবং জশনে জুলুছ ও মাহফিলের আয়োজন করা হয়
তিনি আরও বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শই শান্তি ও মুক্তির একমাত্র পথ।
মাহফিলে ঈদে মিলাদুন্নবীর তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন কাদেরিয়া তৈয়্যেবিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন আল-আজহারীসহ অন্যান্য ওলামায়ে কেরাম। মাহফিল পরিচালনা করেন মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ মুফতি আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক।
অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশসহ সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
জশনে জুলুছ ও মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মনজুর আলম, সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ শামসুদ্দিন, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গিয়াস উদ্দীন সাকের, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি মোহাম্মদ কমর উদ্দিন সবুর, প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারি মোহাম্মদ গোলাম মহিউদ্দিন এবং আঞ্জুমানের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার।
এ ছাড়া ঢাকা আঞ্জুমানের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ, সেক্রেটারি মো. মিজানুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বুলবুল, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি এস এম গোলাম কিবরিয়া, ফাইন্যান্স সেক্রেটারি আলহাজ্ব শোয়েবুজ্জামান চৌধুরী তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হযরত আলী, প্রচার ও সম্পাদক মো. আবুল কাশেম, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ, ঢাকার সেক্রেটারি মোহাম্মদ কাশেমসহ দেশবরেণ্য ওলামায়ে কেরাম, ইসলামী চিন্তাবিদ, গবেষক, শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক এবং সরকারি-বেসরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন