মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

শিক্ষাঙ্গন

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান শিক্ষার্থীরা

প্রেস ক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রকাশ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
প্রেস ক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রাম শহরে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত চুয়েটে চলমান শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে চুয়েটের অচলাবস্থা দ্রুত নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।

মানববন্ধনে আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ১৫ দিন ধরে আন্দোলন করেও প্রশাসন থেকে কোনো সাড়া পাইনি। বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এখানে অবস্থান নিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দেশবাসীর কাছে আমাদের প্রাণের দাবি সম্পর্কে জানাতে এখানে এসেছি। আশা করি, অতি দ্রুত সমাধান আসবে এবং আমাদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

আন্দোলনরত এক ছাত্রী বলেন, আমরা আমাদের ক্যারিয়ারের কথা মাথায় না রেখে ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে এই ১৫ দিন আন্দোলন করছি। এত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও আমাদেরকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন আশা দেওয়া হয়নি। তাই প্রশ্ন জাগে, আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কী সরকারের চোখে পড়ছে না? তারা নিশ্চুপ কেন, এটা অনেক বড় প্রশ্ন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এক ছাত্র বলেন, আমরা মনে করি এই সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই। দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকা সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শিক্ষার্থী-কারো স্বার্থে নয়। এই অবস্থার দ্রুত অবসান ঘটানো এখন প্রশাসনিক প্রয়োজনের পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।

মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা চুয়েট ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

আন্দোলনের কারণে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


প্রেস ক্লাবের সামনে চুয়েট শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে চট্টগ্রাম শহরে মানববন্ধন করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত চুয়েটে চলমান শাটডাউন কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে চুয়েটের অচলাবস্থা দ্রুত নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনকারীরা।

মানববন্ধনে আন্দোলনরত এক শিক্ষার্থী বলেন, ১৫ দিন ধরে আন্দোলন করেও প্রশাসন থেকে কোনো সাড়া পাইনি। বাধ্য হয়ে ক্যাম্পাস থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে এখানে অবস্থান নিয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও দেশবাসীর কাছে আমাদের প্রাণের দাবি সম্পর্কে জানাতে এখানে এসেছি। আশা করি, অতি দ্রুত সমাধান আসবে এবং আমাদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়া হবে।

আন্দোলনরত এক ছাত্রী বলেন, আমরা আমাদের ক্যারিয়ারের কথা মাথায় না রেখে ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে এই ১৫ দিন আন্দোলন করছি। এত শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পরও আমাদেরকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন আশা দেওয়া হয়নি। তাই প্রশ্ন জাগে, আমাদের শান্তিপূর্ণ অবস্থান কী সরকারের চোখে পড়ছে না? তারা নিশ্চুপ কেন, এটা অনেক বড় প্রশ্ন।

লিখিত বক্তব্য পাঠ করে এক ছাত্র বলেন, আমরা মনে করি এই সংকট দীর্ঘায়িত হওয়ার যৌক্তিক কারণ নেই। দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় দিনের পর দিন অচল থাকা সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা শিক্ষার্থী-কারো স্বার্থে নয়। এই অবস্থার দ্রুত অবসান ঘটানো এখন প্রশাসনিক প্রয়োজনের পাশাপাশি সরকারের দায়িত্বশীলতার প্রশ্ন।

গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ২১ সেপ্টেম্বর তাকে ওই পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য করা হয়।

মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় উপাচার্য পরিবর্তনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ওই রাতেই ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অধ্যাপক সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে তারা শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিমধ্যে অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা চুয়েট ক্যাম্পাসে মশাল মিছিল, লাল কার্ড প্রদর্শন, চোখে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছেন।

আন্দোলনের কারণে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে