ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়েছেন লাখো মানুষ। জানাজা শুরুর আগেই প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে আসা মানুষের ক্রমবর্ধমান ভিড়ে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
আজ রোববার ভোর থেকেই জানাজার স্থান তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় সমবেত হতে থাকেন লাখো নারী-পুরুষ।
স্থান সংকুলান না হওয়ায় জানাজা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই মসজিদ কমপ্লেক্সটির সবকটি ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে ইরানের গণমাধ্যম তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে।
পরে মসজিদের আশেপাশের সড়ক ও উন্মুক্ত স্থানগুলোতে অবস্থান নেন জানাজার নামাজ পড়তে আসা মানুষেরা। জানাজার আগে সেসব জায়গাও কানায় কানায় ভরে যায়। জানাজা উপলক্ষে গোটা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি তাবরিজি জানাজায় ইমামতি করেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি জানায় অংশ নেন। আরও ছিলেন ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সর্বাধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ভাহিদি।
জানাজা নামাজের সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন আলী খামেনির তিন ছেলে মাসুদ, মাইসাম ও মুস্তফা। তবে, অসুস্থতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের আরেক ভাই ও ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বাবার জানাজায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানা যাচ্ছে।
তবে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামির একজন উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলি আবতাহি অভিযোগ করেছেন, বিরোধী রাজনীতিক ও সাবেক কর্মকর্তাদের জানাজা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। চার মাসেরও বেশি সময় পর তার দাফন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এ জন্য ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকপালন ও শেষ বিদায়ের নানা অনুষ্ঠান পালনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।
শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সাবেক এই আয়াতুল্লাহর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। গতকাল শনিবার সকাল স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে দর্শনার্থীরা আজ রোববার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
কয়েক দফা জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আগামী বৃহস্পতিবার খামেনিকে দাফন করা হবে।
সংগৃহীত

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিয়েছেন লাখো মানুষ। জানাজা শুরুর আগেই প্রিয় নেতাকে বিদায় জানাতে আসা মানুষের ক্রমবর্ধমান ভিড়ে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
আজ রোববার ভোর থেকেই জানাজার স্থান তেহরানের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় সমবেত হতে থাকেন লাখো নারী-পুরুষ।
স্থান সংকুলান না হওয়ায় জানাজা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই মসজিদ কমপ্লেক্সটির সবকটি ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে ইরানের গণমাধ্যম তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে।
পরে মসজিদের আশেপাশের সড়ক ও উন্মুক্ত স্থানগুলোতে অবস্থান নেন জানাজার নামাজ পড়তে আসা মানুষেরা। জানাজার আগে সেসব জায়গাও কানায় কানায় ভরে যায়। জানাজা উপলক্ষে গোটা এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্ক নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে।
স্থানীয় সময় সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ১০টা) আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি তাবরিজি জানাজায় ইমামতি করেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এবং বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি জানায় অংশ নেন। আরও ছিলেন ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সর্বাধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমদ ভাহিদি।
জানাজা নামাজের সামনের সারিতে উপস্থিত ছিলেন আলী খামেনির তিন ছেলে মাসুদ, মাইসাম ও মুস্তফা। তবে, অসুস্থতা ও নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের আরেক ভাই ও ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বাবার জানাজায় অংশ নিতে পারেননি বলে জানা যাচ্ছে।
তবে, ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামির একজন উপদেষ্টা মোহাম্মদ আলি আবতাহি অভিযোগ করেছেন, বিরোধী রাজনীতিক ও সাবেক কর্মকর্তাদের জানাজা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। চার মাসেরও বেশি সময় পর তার দাফন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। এ জন্য ছয় দিনের রাষ্ট্রীয় শোকপালন ও শেষ বিদায়ের নানা অনুষ্ঠান পালনের ঘোষণা দিয়েছে তেহরান।
শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় সাবেক এই আয়াতুল্লাহর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। গতকাল শনিবার সকাল স্থানীয় সময় ভোর ৬টায় তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সেখানে দর্শনার্থীরা আজ রোববার বিকেল পর্যন্ত শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।
কয়েক দফা জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আগামী বৃহস্পতিবার খামেনিকে দাফন করা হবে।
সংগৃহীত

আপনার মতামত লিখুন