আজমান (Ajman) বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর এই খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছে। গ্লোবাল ডাটাবেজ **Numbeo-এর ২০২৬ সালের মিড-ইয়ার (Mid-Year) সেফটি ইনডেক্সে আজমান শীর্ষস্থান অর্জন করার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে এটি এখন প্রধান সংবাদের অন্যতম।
নিউজ পোর্টালগুলোর প্রতিবেদন থেকে এই অর্জনের মূল খবরগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গাল্ফ নিউজ এবং আজমান পুলিশের অফিসিয়াল বিবৃতি অনুযায়ী, এই সাফল্যের পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তি ও কৌশল কাজ করেছে বলে জানিয়েছে।
আজমান এই সূচকে ৮৮.৬ স্কোর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এই র্যাংকিং মূলত নাগরিকদের দৈনন্দিন নিরাপত্তা বোধ, অপরাধের হার এবং রাতে একা চলাফেরার ক্ষেত্রে নির্ভীকতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
"দার আল আমান" (Dar Al Aman) সিস্টেম:
আজমান পুলিশের এই স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থাটি পুরো আমিরাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একটি রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্যাল প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত করেছে। এর ফলে যেকোনো অপরাধ বা দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সাহায্যে তা অনুমান করা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
বিশেষায়িত পুলিশিং:
ট্যুরিজম পেট্রোল (পর্যটন পুলিশ), 'আমান' পেট্রোল এবং বহুতল ভবন ও স্থাপনা সুরক্ষায় 'লি হিমায়াতিকুম' (আপনাদের সুরক্ষায়) প্রজেক্টের মতো আধুনিক উদ্যোগগুলো মাঠ পর্যায়ে অপরাধের হার প্রায় শূন্যে নামিয়ে এনেছে।
কমিউনিটি পুলিশিং: প্রবীণ নাগরিক, নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ঘরে বসেই পুলিশের সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী সামাজিক উদ্যোগের কারণে পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা শতভাগ নিশ্চিত হয়েছে।
## আরব আমিরাতের একচেটিয়া আধিপত্য
এই নিউজের আরেকটি বড় দিক হলো, বিশ্বসেরা ১০টি নিরাপদ শহরের তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) মোট ৫টি শহর স্থান করে নিয়েছে।
র্যাংকিং অনুযায়ী শীর্ষ শহরগুলো:
১. **আজমান** (UAE) — স্কোর: ৮৮.৬
২. **আবুধাবি** (UAE) — স্কোর: ৮৮.৬
৩. **রাস আল খাইমাহ** (UAE) — স্কোর: ৮৫.৩
৪. **শারজাহ** (UAE) — স্কোর: ৮৪.৭
৫. **দোহা** (কাতার) — স্কোর: ৮৪.৬
৬. **দুবাই** (UAE) — স্কোর: ৮৩.৮
অর্থনীতি ও পর্যটনে প্রভাব
আজমান পুলিশের কমান্ডার-ইন-চিফ **মেজর জেনারেল শেখ সুলতান বিন আব্দুল্লাহ আল নুয়াইমি** সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি আজমানের অর্থনীতি, বিদেশি বিনিয়োগ এবং পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। এটি আরব আমিরাতের ২০৩১ সালের জাতীয় ভিশন এবং আজমানের ২০৩০ ভিশন অর্জনে বড় ভূমিকা রাখছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন

মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
আজমান (Ajman) বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ শহর এই খবরটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে সাড়া জাগিয়েছে। গ্লোবাল ডাটাবেজ **Numbeo-এর ২০২৬ সালের মিড-ইয়ার (Mid-Year) সেফটি ইনডেক্সে আজমান শীর্ষস্থান অর্জন করার পর মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে এটি এখন প্রধান সংবাদের অন্যতম।
নিউজ পোর্টালগুলোর প্রতিবেদন থেকে এই অর্জনের মূল খবরগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গাল্ফ নিউজ এবং আজমান পুলিশের অফিসিয়াল বিবৃতি অনুযায়ী, এই সাফল্যের পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রযুক্তি ও কৌশল কাজ করেছে বলে জানিয়েছে।
আজমান এই সূচকে ৮৮.৬ স্কোর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। এই র্যাংকিং মূলত নাগরিকদের দৈনন্দিন নিরাপত্তা বোধ, অপরাধের হার এবং রাতে একা চলাফেরার ক্ষেত্রে নির্ভীকতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
"দার আল আমান" (Dar Al Aman) সিস্টেম:
আজমান পুলিশের এই স্মার্ট নজরদারি ব্যবস্থাটি পুরো আমিরাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে একটি রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্যাল প্ল্যাটফর্মের সাথে যুক্ত করেছে। এর ফলে যেকোনো অপরাধ বা দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) সাহায্যে তা অনুমান করা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
বিশেষায়িত পুলিশিং:
ট্যুরিজম পেট্রোল (পর্যটন পুলিশ), 'আমান' পেট্রোল এবং বহুতল ভবন ও স্থাপনা সুরক্ষায় 'লি হিমায়াতিকুম' (আপনাদের সুরক্ষায়) প্রজেক্টের মতো আধুনিক উদ্যোগগুলো মাঠ পর্যায়ে অপরাধের হার প্রায় শূন্যে নামিয়ে এনেছে।
কমিউনিটি পুলিশিং: প্রবীণ নাগরিক, নারী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য ঘরে বসেই পুলিশের সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী সামাজিক উদ্যোগের কারণে পুলিশের ওপর জনগণের আস্থা শতভাগ নিশ্চিত হয়েছে।
## আরব আমিরাতের একচেটিয়া আধিপত্য
এই নিউজের আরেকটি বড় দিক হলো, বিশ্বসেরা ১০টি নিরাপদ শহরের তালিকায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) মোট ৫টি শহর স্থান করে নিয়েছে।
র্যাংকিং অনুযায়ী শীর্ষ শহরগুলো:
১. **আজমান** (UAE) — স্কোর: ৮৮.৬
২. **আবুধাবি** (UAE) — স্কোর: ৮৮.৬
৩. **রাস আল খাইমাহ** (UAE) — স্কোর: ৮৫.৩
৪. **শারজাহ** (UAE) — স্কোর: ৮৪.৭
৫. **দোহা** (কাতার) — স্কোর: ৮৪.৬
৬. **দুবাই** (UAE) — স্কোর: ৮৩.৮
অর্থনীতি ও পর্যটনে প্রভাব
আজমান পুলিশের কমান্ডার-ইন-চিফ **মেজর জেনারেল শেখ সুলতান বিন আব্দুল্লাহ আল নুয়াইমি** সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই বৈশ্বিক স্বীকৃতি আজমানের অর্থনীতি, বিদেশি বিনিয়োগ এবং পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী করবে। এটি আরব আমিরাতের ২০৩১ সালের জাতীয় ভিশন এবং আজমানের ২০৩০ ভিশন অর্জনে বড় ভূমিকা রাখছে।
নিজস্ব প্রতিবেদন

আপনার মতামত লিখুন