চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা, ইরানে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা, ইরানে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। এর মধ্য দিয়ে রাজধানী তেহরানে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য কর্মসূচি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন রাখা হয়। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষ কাঁধে করে তার কফিন বহন করেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী সপ্তাহে দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জনশোক ও শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেবেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সি খামেনি নিহত হন। 

খামেনির কফিনের পাশেই রাখা হয় তার তিন বছর বয়সি নাতনি, জ্যেষ্ঠ কন্যা, জামাতা এবং পুত্রবধূর কফিন। ইরানের দাবি, তারাও ২৮ ফেব্রুয়ারির একই হামলায় নিহত হন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

এ ছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান আহমদ ভাহিদিও যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সূত্র: আলজাজিরা

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬


খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা, ইরানে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু

প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুলাই ২০২৬

featured Image

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা। এর মধ্য দিয়ে রাজধানী তেহরানে শুরু হয়েছে এক সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য কর্মসূচি।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো কফিন রাখা হয়। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত মানুষ কাঁধে করে তার কফিন বহন করেন। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিপুল মানুষের সমাগম ঘটে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের আশা, আগামী সপ্তাহে দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জনশোক ও শোকযাত্রায় লাখো মানুষ অংশ নেবেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরাইলের যৌথ হামলায় ৮৬ বছর বয়সি খামেনি নিহত হন। 

খামেনির কফিনের পাশেই রাখা হয় তার তিন বছর বয়সি নাতনি, জ্যেষ্ঠ কন্যা, জামাতা এবং পুত্রবধূর কফিন। ইরানের দাবি, তারাও ২৮ ফেব্রুয়ারির একই হামলায় নিহত হন।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

এ ছাড়া ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান আহমদ ভাহিদিও যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে উপস্থিত হয়ে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান।

সূত্র: আলজাজিরা


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে