কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাহাড় ধসে দুই শিশুর মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়বিদারক।
টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের কারণে মাটির পাদদেশ নরম হয়ে বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মহছনিয়াকাটা (মছনিয়াকাটা) গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা মাটি চাপা পড়ে। নিহত দুই শিশু হলো ,রুমি আক্তার (১৫), সে বরইতলী দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।ওয়াহিদুল ইসলাম / মোহাম্মদ তৌসিফ (১০), সে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই-বোন ছিল। এই ঘটনায় তাদের মা-ও আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
টানা অতিভারী বর্ষণের কারণে দেশের পার্বত্য ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে বা আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারের চকরিয়ায় পাহাড় ধসে দুই শিশুর মাটির নিচে চাপা পড়ে মারা যাওয়ার ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং হৃদয়বিদারক।
টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণের কারণে মাটির পাদদেশ নরম হয়ে বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মহছনিয়াকাটা (মছনিয়াকাটা) গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
পাহাড়ের একটি অংশ ধসে বসতঘরের ওপর পড়লে ঘুমন্ত অবস্থায় তারা মাটি চাপা পড়ে। নিহত দুই শিশু হলো ,রুমি আক্তার (১৫), সে বরইতলী দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।ওয়াহিদুল ইসলাম / মোহাম্মদ তৌসিফ (১০), সে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই-বোন ছিল। এই ঘটনায় তাদের মা-ও আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
টানা অতিভারী বর্ষণের কারণে দেশের পার্বত্য ও পাহাড়ি অঞ্চলগুলোতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে নিরাপদ আশ্রয়ে বা আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন