নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে জাল দিয়ে মাছ ধরতে নেমে তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারীদের প্রচেষ্টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। এই বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই আজ এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয় ওই কিশোর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানিতে তীব্র স্রোত থাকা সত্ত্বেও ওই কিশোর জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য পানিতে নামে। কিন্তু পানির গভীরতা ও স্রোতের গতিবেগ অতিরিক্ত থাকায় সে নিজেকে সামলাতে পারেনি। মুহূর্তের মধ্যেই পানির তীব্র টানে সে তলিয়ে যায় এবং স্রোতের তোড়ে ভেসে নিখোঁজ হয়।
কিশোরটি ভেসে যাওয়ার পরপরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর একপর্যায়ে নদী বা প্লাবিত এলাকার ভাটি অংশ থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল থেকে বন্যা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের এই তীব্র স্রোতের মধ্যে মাছ ধরতে বা অপ্রয়োজনে পানিতে নামা থেকে বিরত থাকার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে জাল দিয়ে মাছ ধরতে নেমে তীব্র স্রোতে ভেসে যাওয়া এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ নিখোঁজ থাকার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও উদ্ধারকারীদের প্রচেষ্টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
সাম্প্রতিক ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে তীব্র স্রোতের সৃষ্টি হয়েছে। এই বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই আজ এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয় ওই কিশোর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানিতে তীব্র স্রোত থাকা সত্ত্বেও ওই কিশোর জাল দিয়ে মাছ ধরার জন্য পানিতে নামে। কিন্তু পানির গভীরতা ও স্রোতের গতিবেগ অতিরিক্ত থাকায় সে নিজেকে সামলাতে পারেনি। মুহূর্তের মধ্যেই পানির তীব্র টানে সে তলিয়ে যায় এবং স্রোতের তোড়ে ভেসে নিখোঁজ হয়।
কিশোরটি ভেসে যাওয়ার পরপরই স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজে নেমে পড়েন। দীর্ঘক্ষণ খোঁজাখুঁজির পর একপর্যায়ে নদী বা প্লাবিত এলাকার ভাটি অংশ থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
এই মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় নিহতের পরিবার এবং পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও সচেতন মহল থেকে বন্যা কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের এই তীব্র স্রোতের মধ্যে মাছ ধরতে বা অপ্রয়োজনে পানিতে নামা থেকে বিরত থাকার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন