নিজস্ব প্রতিবেদক, হাটহাজারী: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জেরে আজম নামে এক যুবককে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। আজ (১০ জুলাই) মেখল ইউনিয়নের পশ্চিম মেখল খলিফা পাড়া এলাকা থেকে তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আজম ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কিছু ব্যক্তির সাথে আজমের পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
ঘটনার বিবরণ ও পুলিশি পদক্ষেপ:
খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এর সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর খলিফা পাড়া এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুলাই ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, হাটহাজারী: চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার মেখল ইউনিয়নে পূর্ব শত্রুতার জেরে আজম নামে এক যুবককে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে। আজ (১০ জুলাই) মেখল ইউনিয়নের পশ্চিম মেখল খলিফা পাড়া এলাকা থেকে তার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আজম ওই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের কনিষ্ঠ পুত্র বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কিছু ব্যক্তির সাথে আজমের পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষরা তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
ঘটনার বিবরণ ও পুলিশি পদক্ষেপ:
খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং এর সাথে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিশেষ অভিযান শুরু করেছে।
এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর খলিফা পাড়া এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং খুনিদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন