চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

সারাদেশ

রাতভর বৃষ্টিতে কাকলী-বনানী সড়কে যেন 'সমুদ্র', চরম জনদুর্ভোগ

প্রকাশ : ১২ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
রাতভর বৃষ্টিতে কাকলী-বনানী সড়কে যেন 'সমুদ্র', চরম জনদুর্ভোগ
ভিডিও থেকে সংগৃহীত

ঢাকা, ১২ জুলাই, ২০২৬: শনিবার রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা কাকলী ও বনানী। রোববার সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিস ও গন্তব্যগামী মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে বনানী ১১ নম্বর সড়ক থেকে শুরু করে কাকলী মোড় এবং সংলগ্ন প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে গিয়ে যেন এক একটি 'সমুদ্রে' পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমে গেছে। ফলে সকাল থেকেই এই রুটে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়।


সকাল থেকেই পানির নিচে থাকা ভাঙাচোরা রাস্তা ও ম্যানহোলে পড়ে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। গণপরিবহন সংকটের পাশাপাশি তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে মহাখালী পর্যন্ত। অনেককে বাধ্য হয়ে জলকাদা মাড়িয়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা গেছে।


গণপরিবহন না পেয়ে অফিসগামী যাত্রীরা রিকশা ও সিএনজির খোঁজ করলেও চালকরা তিন থেকে চার গুণ বেশি ভাড়া দাবি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি চাকরিজীবী রাইয়ান আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বনানী স্টেশন থেকে কাকলীমোড় পর্যন্ত সামান্য পথঅথচ রিকশাওয়ালারা ১০০ টাকা ভাড়া চাচ্ছে। রাস্তায় পানি জমলে আমাদের পকেট কাটার মহোৎসবশুরু হয়।"


দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের কথা বলা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই কেন এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা তলিয়ে যায়, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। তাদের মতে, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় এই একই চিত্র দেখতে হয়।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (দুপুর) কাকলী-বনানী এলাকার সড়কগুলো থেকে পানি পুরোপুরি নামেনি। ধীরগতিতে পানি সরতে থাকায় যানজট পরিস্থিতি আরও প্রকট রূপ ধারণ করেছে। দ্রুত এই পানি নিষ্কাশন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী নগরবাসী।

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

রোববার, ১২ জুলাই ২০২৬


রাতভর বৃষ্টিতে কাকলী-বনানী সড়কে যেন 'সমুদ্র', চরম জনদুর্ভোগ

প্রকাশের তারিখ : ১২ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঢাকা, ১২ জুলাই, ২০২৬: শনিবার রাতভর মুষলধারে বৃষ্টিতে স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত এলাকা কাকলী ও বনানী। রোববার সকালে ঘুম থেকে উঠেই অফিস ও গন্তব্যগামী মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম ভোগান্তিতে। অতিরিক্ত বৃষ্টির পানিতে বনানী ১১ নম্বর সড়ক থেকে শুরু করে কাকলী মোড় এবং সংলগ্ন প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে গিয়ে যেন এক একটি 'সমুদ্রে' পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমে গেছে। ফলে সকাল থেকেই এই রুটে যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়।


সকাল থেকেই পানির নিচে থাকা ভাঙাচোরা রাস্তা ও ম্যানহোলে পড়ে অনেক সিএনজিচালিত অটোরিকশা, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল বিকল হয়ে মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। গণপরিবহন সংকটের পাশাপাশি তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে বিমানবন্দর সড়ক থেকে শুরু করে মহাখালী পর্যন্ত। অনেককে বাধ্য হয়ে জলকাদা মাড়িয়ে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে দেখা গেছে।


গণপরিবহন না পেয়ে অফিসগামী যাত্রীরা রিকশা ও সিএনজির খোঁজ করলেও চালকরা তিন থেকে চার গুণ বেশি ভাড়া দাবি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বেসরকারি চাকরিজীবী রাইয়ান আহমেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "বনানী স্টেশন থেকে কাকলীমোড় পর্যন্ত সামান্য পথঅথচ রিকশাওয়ালারা ১০০ টাকা ভাড়া চাচ্ছে। রাস্তায় পানি জমলে আমাদের পকেট কাটার মহোৎসবশুরু হয়।"


দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের কথা বলা হলেও সামান্য বৃষ্টিতেই কেন এই গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকা তলিয়ে যায়, তা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা। তাদের মতে, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার না করা এবং পরিকল্পিত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবেই প্রতি বছর বর্ষায় এই একই চিত্র দেখতে হয়।

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (দুপুর) কাকলী-বনানী এলাকার সড়কগুলো থেকে পানি পুরোপুরি নামেনি। ধীরগতিতে পানি সরতে থাকায় যানজট পরিস্থিতি আরও প্রকট রূপ ধারণ করেছে। দ্রুত এই পানি নিষ্কাশন করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সিটি কর্পোরেশনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী নগরবাসী।


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে