রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

জাতীয়

সরকার জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সরকার জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  

বুধবার (১৫ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ বাণী দেন। এ সময় তিনি দেশের সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। কোটা সংস্কারের দাবি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে মোড় নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।

তিনি শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; সেটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক। আরও পড়ুনআরও পড়ুনকোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলন ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধ। সেই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণা হয়ে থাকবে।

বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র, মানবিক মূল্যবোধ এবং নাগরিক অধিকারভিত্তিক একটি নিরাপদ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই হবে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান। তিনি আবারও সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই শহীদ দিবস

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


সরকার জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জুলাই ২০২৬

featured Image

ঐতিহাসিক ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বাণী দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  

বুধবার (১৫ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এ বাণী দেন। এ সময় তিনি দেশের সর্বক্ষেত্রে গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের এই দিনে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে রংপুরে পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, চট্টগ্রামে কলেজশিক্ষার্থী মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ কমপক্ষে ৬ জন শহীদ হয়েছিলেন। রংপুরে দুই হাত প্রসারিত করে পুলিশের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন শহীদ আবু সাঈদ। আবু সাঈদের বুকে পুলিশের গুলি করার দৃশ্য গণতন্ত্রকামী জনগণের মনে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার করে। কোটা সংস্কারের দাবি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের আন্দোলনে মোড় নেয়। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বীর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়।

তিনি শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরামসহ ১৬ জুলাইয়ের সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ১৬ জুলাই আমাদের জাতীয় ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় সন্ধিক্ষণ। এদিন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রাণঘাতী শক্তির নির্মম প্রয়োগ এবং ভয়ভীতির রাজনীতির বিরুদ্ধে নিরস্ত্র অথচ অদম্য সাহসী বীর ছাত্র-জনতা যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন, তা জাতির বিবেককে জাগ্রত করেছিল। বিশেষ করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে দুই হাত প্রসারিত করে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শহীদ আবু সাঈদের সেই অমলিন দৃশ্য কেবল একটি মুহূর্ত ছিল না; সেটি ছিল গণতান্ত্রিক অধিকারবঞ্চিত একটি জাতির ভয় জয়ের প্রতীক। আরও পড়ুনআরও পড়ুনকোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি আন্দোলন ছিল না, বরং দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদ, দুর্নীতি, গুম, খুন, দমন-পীড়ন এবং ভোটাধিকার হরণের বিরুদ্ধে জনগণের সম্মিলিত প্রতিরোধ। সেই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়েই দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। শহীদদের রক্ত কখনো বৃথা যেতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণা হয়ে থাকবে।

বার্তার শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র, মানবিক মূল্যবোধ এবং নাগরিক অধিকারভিত্তিক একটি নিরাপদ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়াই হবে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি প্রকৃত সম্মান। তিনি আবারও সব শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং গণঅভ্যুত্থানে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে