বিস্তারিত... নিউজ রিপোর্টারঃ এম. ফখরুল আওয়াল।
নিজের ঘর হারিয়েও বন্যার্ত মানুষের পাশে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার লিয়াকত আলী চৌধুরী
সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৩ নম্বর খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী চৌধুরীর নিজের বসতঘর মাটি ধসে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত এই দুর্যোগকে উপেক্ষা করে তিনি শুরু থেকেই বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণ, খোঁজখবর নেওয়া এবং নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বন্যার পুরো সময়জুড়ে তাঁকে নিজের ক্ষতির কথা না ভেবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাড়ি বাড়ি ছুটে যেতে দেখা গেছে। কোথাও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া, কোথাও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা, আবার কোথাও দুর্গত মানুষের খোঁজ নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সক্রিয়।
জানা গেছে, বন্যায় তাঁর নিজস্ব বসতঘর ধসে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে পুরোনো একটি ঘর সংস্কার করে বসবাস করছেন। তবুও তিনি তাঁর ওয়ার্ডের মানুষের সেবা থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে দাঁড়াননি।
এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে লিয়াকত আলী চৌধুরী লিখেছেন, “নিজের গড়া রাজপ্রাসাদে জায়গা না হলেও, মা-বাবার করে যাওয়া মাটির কুঁড়েঘরে ভালোই ছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বন্যায় সেই ঘরটাও ধসে গেল। এখন সেই কুঁড়েঘর সংস্কার করে থাকতে হচ্ছে। শুধু আমি নই, আমার মতো হাজারো পরিবার আজ গৃহহারা। আল্লাহ সবাইকে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করুন।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে লিয়াকত আলী চৌধুরীর এই মানবিক ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার। নিজের ব্যক্তিগত ক্ষতির চেয়ে মানুষের কষ্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তা এলাকাবাসীর কাছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬
বিস্তারিত... নিউজ রিপোর্টারঃ এম. ফখরুল আওয়াল।
নিজের ঘর হারিয়েও বন্যার্ত মানুষের পাশে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার লিয়াকত আলী চৌধুরী
সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার ৩ নম্বর খানখানাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী চৌধুরীর নিজের বসতঘর মাটি ধসে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত এই দুর্যোগকে উপেক্ষা করে তিনি শুরু থেকেই বন্যাকবলিত মানুষের পাশে থেকে ত্রাণ বিতরণ, খোঁজখবর নেওয়া এবং নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছে দেওয়ার কাজে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, বন্যার পুরো সময়জুড়ে তাঁকে নিজের ক্ষতির কথা না ভেবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাড়ি বাড়ি ছুটে যেতে দেখা গেছে। কোথাও ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া, কোথাও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা, আবার কোথাও দুর্গত মানুষের খোঁজ নেওয়া—সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সক্রিয়।
জানা গেছে, বন্যায় তাঁর নিজস্ব বসতঘর ধসে যাওয়ায় বর্তমানে তিনি পরিবারের সঙ্গে পুরোনো একটি ঘর সংস্কার করে বসবাস করছেন। তবুও তিনি তাঁর ওয়ার্ডের মানুষের সেবা থেকে এক মুহূর্তের জন্যও সরে দাঁড়াননি।
এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে লিয়াকত আলী চৌধুরী লিখেছেন, “নিজের গড়া রাজপ্রাসাদে জায়গা না হলেও, মা-বাবার করে যাওয়া মাটির কুঁড়েঘরে ভালোই ছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, বন্যায় সেই ঘরটাও ধসে গেল। এখন সেই কুঁড়েঘর সংস্কার করে থাকতে হচ্ছে। শুধু আমি নই, আমার মতো হাজারো পরিবার আজ গৃহহারা। আল্লাহ সবাইকে এই কঠিন পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার শক্তি দান করুন।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে লিয়াকত আলী চৌধুরীর এই মানবিক ভূমিকা প্রশংসার দাবিদার। নিজের ব্যক্তিগত ক্ষতির চেয়ে মানুষের কষ্টকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তা এলাকাবাসীর কাছে একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন