রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

আন্তর্জাতিক

৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তছনছ ইতালির নেপলস

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তছনছ ইতালির নেপলস

৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আক্ষরিক অর্থেই তছনছ অবস্থায় পৌঁছেছে ইতালির তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কাম্পানিয়ার রাজধানী নেপলস। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে হয়েছে এ ভূমিকম্প।

এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর নেপলসের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, ট্রেন এবং মেট্রো লাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বেশ কয়েকটি ভবন আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রধান কারণ— নেপলসের পশ্চিমে ক্যাম্পি ফ্লেগ্রি এলাকায় ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টার। ইতালির ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণকারী সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলকানোলজি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য।

নেপলসের ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখন  পর্যন্ত প্রাণহানির কোনা তথ্য তারা পাননি। ইতালির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শুক্রবারের ভূমিকম্প ছিলো নেপলসে এ পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটি।

ইতালিতে ভূমিকম্পপ্রবণ নয়, তবে মাঝে মাঝেই দেশটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। ১৯৮০ সালে ৮ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ইতালিতে ২ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এটি ইতালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্প হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১৬ সালে। ৫ দশমিক ৮ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে সেবার প্রাণহানি হয়েছিল ৩০০ জনের।

সূত্র : রয়টার্স


আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬


৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তছনছ ইতালির নেপলস

প্রকাশের তারিখ : ০১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে আক্ষরিক অর্থেই তছনছ অবস্থায় পৌঁছেছে ইতালির তৃতীয় বৃহত্তম শহর এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ কাম্পানিয়ার রাজধানী নেপলস। গতকাল শুক্রবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে হয়েছে এ ভূমিকম্প।

এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভূমিকম্পের পর নেপলসের অধিকাংশ এলাকা বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, ট্রেন এবং মেট্রো লাইন ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, বেশ কয়েকটি ভবন আংশিকভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে।

এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের প্রধান কারণ— নেপলসের পশ্চিমে ক্যাম্পি ফ্লেগ্রি এলাকায় ভূপৃষ্ঠের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল বা এপিসেন্টার। ইতালির ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণকারী সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলকানোলজি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য।

নেপলসের ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখন  পর্যন্ত প্রাণহানির কোনা তথ্য তারা পাননি। ইতালির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, শুক্রবারের ভূমিকম্প ছিলো নেপলসে এ পর্যন্ত হওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে একটি।

ইতালিতে ভূমিকম্পপ্রবণ নয়, তবে মাঝে মাঝেই দেশটিতে শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। ১৯৮০ সালে ৮ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ইতালিতে ২ হাজার ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। এটি ইতালির সাম্প্রতিক ইতিহাসে সবচেয়ে বিধ্বংসী ভূমিকম্প হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

দ্বিতীয় বিধ্বংসী ভূমিকম্প হয়েছিল ২০১৬ সালে। ৫ দশমিক ৮ মাত্রার সেই ভূমিকম্পে সেবার প্রাণহানি হয়েছিল ৩০০ জনের।

সূত্র : রয়টার্স



চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে