মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর মিসর আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানকে দায়ী করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বুধবার (৮ জুলাই, ২০২৬) মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে কুয়েত, বাহরাইন এবং পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
মিসরের এই অবস্থানের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
মিসর ইরানের এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে আরব দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের 'চরম লঙ্ঘন' এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি 'অগ্রহণযোগ্য উসকানি' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরব ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা বিপন্ন করে— এমন যেকোনো পদক্ষেপকে মিসর দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। কায়রো স্পষ্ট করেছে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা মিসরের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মিসর কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কাতারের প্রতি তাদের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে এবং যেকোনো নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
একই সঙ্গে অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বন ও উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছে কায়রো।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলার জবাবে ইরান সম্প্রতি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ (Strait of Hormuz) দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও জ্বালানি ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে নতুন করে তীব্র সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পারদ চড়ে যাওয়ার পর মিসর আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানকে দায়ী করে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
বুধবার (৮ জুলাই, ২০২৬) মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানে কুয়েত, বাহরাইন এবং পারস্য উপসাগরীয় অন্যান্য আরব দেশগুলোর ওপর ইরানের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।
মিসরের এই অবস্থানের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
মিসর ইরানের এই আক্রমণাত্মক পদক্ষেপকে আরব দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের 'চরম লঙ্ঘন' এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি 'অগ্রহণযোগ্য উসকানি' হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আরব ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর নিরাপত্তা বিপন্ন করে— এমন যেকোনো পদক্ষেপকে মিসর দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছে। কায়রো স্পষ্ট করেছে যে, উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা মিসরের নিজস্ব জাতীয় নিরাপত্তারই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
মিসর কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব ও কাতারের প্রতি তাদের পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে এবং যেকোনো নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
একই সঙ্গে অঞ্চলে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বন ও উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছে কায়রো।
মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান হামলার জবাবে ইরান সম্প্রতি পারস্য উপসাগরের কৌশলগত জলপথ (Strait of Hormuz) দিয়ে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজ ও জ্বালানি ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে নতুন করে তীব্র সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন