বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ছয় দিনের এই সফরে তিনি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। পাশাপাশি উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বৃদ্ধি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সবুজ অর্থনীতিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুই দেশের মধ্যে একাধিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সফর শেষে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই সফর। ভবিষ্যতে এর সুফল দেশের জনগণ ভোগ করবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ছয় দিনের এই সফরে তিনি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। পাশাপাশি উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বৃদ্ধি, প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সবুজ অর্থনীতিতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। দুই দেশের মধ্যে একাধিক সহযোগিতা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সফর শেষে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই সফর। ভবিষ্যতে এর সুফল দেশের জনগণ ভোগ করবে।”
বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন