চিটাগাং টুডে

মূল পাতা

জাতীয়

সংসদ কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার কারণ জানালেন মনিরুল হক চৌধুরী

প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
সংসদ কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার কারণ জানালেন  মনিরুল হক চৌধুরী

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে  দুই সপ্তাহ ধরে অধিবেশনে অনুপস্থিত কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। 

গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। এ ব্যাপারে স্পিকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংসদ সচিবের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের এই এমপি।

একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। 

একই সঙ্গে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুননারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য, আপত্তিকর অংশ এক্সপাঞ্জ

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। 

পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। 

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

এ বিষয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সেদিন বক্তব্যের এক পর্যায়ে যে বক্তব্যটি আমি দিয়েছি আমি এখনও মনে করি এতে অসংসদীয় কিছু নেই। আমি কার্যবিবরণী নিয়েছি আনুষ্ঠানিকভাবে এটার অডিও-ভিডিও নিয়েছি, পেনড্রাইভ করে স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছি। সেদিন আসার পরে আমি রাত্রে পুরো বক্তব্য টিভিতে দেখেছি, অনলাইনে দেখেছি। সব দেখে আমার বিশ্বাস জন্মেছে যে আমি অসংসদীয় কিছু বলিনি। 

আমি কোনটা সংবিধানবিরোধী করেছি, কোনটা শিষ্টাচার বিরোধী করেছি, কোনটা আমি বর্ণবাদী আচরণ করেছি কোনটা অসংসদীয় ভাষা বলেছি এগুলার সম্পর্কে ৩০২ ধারায় আমি জানতে চেয়েছি।   

আপনার মতামত লিখুন

চিটাগাং টুডে

শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬


সংসদ কার্যক্রমে অংশ না নেওয়ার কারণ জানালেন মনিরুল হক চৌধুরী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬

featured Image

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে  দুই সপ্তাহ ধরে অধিবেশনে অনুপস্থিত কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। 

গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। এ ব্যাপারে স্পিকারের হস্তক্ষেপ চেয়ে সংসদ সচিবের কাছে নোটিশ পাঠিয়েছেন কুমিল্লা-৬ আসনের এই এমপি।

একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। 

একই সঙ্গে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন। 

আরও পড়ুনআরও পড়ুননারী এমপিদের পোশাক নিয়ে মন্তব্য, আপত্তিকর অংশ এক্সপাঞ্জ

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। 

পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। 

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

এ বিষয়ে মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, সেদিন বক্তব্যের এক পর্যায়ে যে বক্তব্যটি আমি দিয়েছি আমি এখনও মনে করি এতে অসংসদীয় কিছু নেই। আমি কার্যবিবরণী নিয়েছি আনুষ্ঠানিকভাবে এটার অডিও-ভিডিও নিয়েছি, পেনড্রাইভ করে স্পিকারের কাছে জমা দিয়েছি। সেদিন আসার পরে আমি রাত্রে পুরো বক্তব্য টিভিতে দেখেছি, অনলাইনে দেখেছি। সব দেখে আমার বিশ্বাস জন্মেছে যে আমি অসংসদীয় কিছু বলিনি। 

আমি কোনটা সংবিধানবিরোধী করেছি, কোনটা শিষ্টাচার বিরোধী করেছি, কোনটা আমি বর্ণবাদী আচরণ করেছি কোনটা অসংসদীয় ভাষা বলেছি এগুলার সম্পর্কে ৩০২ ধারায় আমি জানতে চেয়েছি।   


চিটাগাং টুডে

চেয়ারম্যান ও প্রকাশক: শহিদুল ইসলাম
সম্পাদক: আশিক উল বাসির
সহ- সম্পাদক: নুর জাফর রাহুল
নির্বাহী পরিচালক: মোহাম্মদ শফিউল আলম
নির্বাহী সম্পাদক: তৌহিদুল ইসলাম
বার্তা সম্পাদক: মোহাম্মদ আরফাতুল ইসলাম

কপিরাইট © ২০২৬ চিটাগাং টুডে